Thursday, March 12, 2026

CPIM-এর সেন্ট্রাল কমিটিতে নেই বাংলার ইস্যু! তৃণমূলের অনুকরণে এক দেশ এক ভোট বিরোধিতা

Date:

Share post:

ভারত বাংলাদেশ অশান্ত পরিস্থিতিতে প্রতিদিন বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ (infiltration)। তার জেরে বাংলায় একের পর এক গ্রামে অশান্তি। অনুপ্রবেশ বিজেপি শাসিত অসম ত্রিপুরার মতো রাজ্যগুলিতেও। তবে সিপিআইএমের (CPIM) সেন্ট্রাল কমিটির বৈঠকে উঠলো না সেই প্রসঙ্গ। অন্যদিকে সংসদে এক দেশ এক ভোট (One Nation One Vote) নিয়ে সরব না হলেও তৃণমূলের অনুকরণেই এবার বিজেপির এক দেশ এক ভোট নীতির সমালোচনা সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির(Central Committee)।

রবিবার সিপিআইএমের (CPIM) কেন্দ্রীয় কমিটির আলোচনার শেষে প্রকাশ করা হল তাদের এবারের আলোচনার বিষয়বস্তুগুলি। কোন বিষয়ের উপর জোর দিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে পথে নামছে তারা সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। সেখানে দেশের বিষয়ের পাশাপাশি জায়গা পেয়েছে ইজরাইল প্যালেস্তাইন যুদ্ধ (Israel Palestine war)। গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এক দেশ এক ভোট (One Nation One Vote) নীতির খারাপ দিকগুলিকে। বিজেপির একের পর এক মসজিদের উপর আঘাত হানার সমালোচনা হয়েছে। কৃষি ও কৃষি বিপণনে (agri marketing) বিজেপির ভ্রান্তনীতির বিরোধিতার পাশাপাশি জায়গা পেয়েছে নির্বাচন কমিশনের (CEC) পক্ষপাতিত্বের বিষয়ও। তবে আলোচনা হয়নি সীমান্তের (Indo-Bangladesh border) উত্তেজনার বিষয়গুলি নিয়ে।

কেন্দ্রের বিজেপি সরকার দেশের ওপর জোর করে এক দেশ এক ভোট নীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে সরব হয়েছিলেন তৃণমূলের সংসদরা। সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় একের পর এক যুক্তি দিয়ে তুলে ধরেছিলেন কিভাবে এতে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর (federal structure) উপর আঘাত হানা হচ্ছে। সংসদে সিপিআইএম সংসদরা এই নিয়ে নীরব থাকলেও এবার কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্ব দেওয়া হল এক দেশ এক ভোট-এর বিরোধিতাকে।

মাদুরাই-এ ২ এপ্রিল থেকে অনুষ্ঠিত হবে ২৪তম পার্টি কংগ্রেস (Party Congress)। সেখানেই আলোচিত হবে এই বিষয়গুলি। তার আগে ১ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন রাজ্যের কমিটিগুলিকে কেন্দ্রীয় কমিটির কলকাতায় নেওয়া বিষয়গুলি প্রকাশ করে দেওয়া হবে।

spot_img

Related articles

‘লোকভবনে’ রাজ্যপাল আর এন রবি: বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতকে চরমে তুলে দিয়ে নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বিদায়ী রাজ্যপাল সি...

বন্দে ভারত আদৌ সাধারণ মানুষের জন্য: সংসদে প্রশ্ন অভিষেকের

রেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর হাফ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব অত্যন্ত গর্ব করেন। অথচ দেশের সাধারণ মানুষ...

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব: শেষ পর্যায়ে সই সংগ্রহ, শীঘ্রই পেশ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের জন্য ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের নোটিশ আনতে শেষ পর্যায়ে সই সংগ্রহ প্রক্রিয়া। এসআইআর (SIR)...

কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ: সংখ্যালঘু চাকরিপ্রার্থীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ

কর্মসংস্থানের জন্য নতুন পদ সৃষ্টিই নয়, চাকরিপ্রার্থীদের প্রশিক্ষণেও নতুন দিশা দেখিয়েছে বাংলার বর্তমান প্রশাসন। যার প্রত্যক্ষ ফল সর্বভারতীয়...