Sunday, April 26, 2026

রাজ্য বিজেপির নতুন সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য: তৃণমূলকে হারানো সম্ভব নয়, বার্তা ফিরহাদের

Date:

Share post:

প্রত্যাশা মতোই আরএসএস-এর নির্দেশেই আস্থা বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। শত গোষ্ঠীতে বিভক্ত বঙ্গ বিজেপিকে এক সুতোয় গাঁথার ব্যর্থ চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত এক বছরের বেশি পরে নতুন রাজ্য সভাপতি নির্বাচন করল বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। রাজ্য নেতা শমিক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) ছাড়া অন্য কোনও মনোনয়ন জমা না পড়ায় শমিকই যে রাজ্য বিজেপির নতুন সভাপতি (BJP state president), তাতে আর কোনও সন্দেহই নেই। তবে রাজ্যের নেতৃত্ব বদল করে যে বিজেপি আখেরে বাংলায় কোনও প্রভাব ফেলতে পারবে না, স্পষ্ট করে দিলেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।

বুধবারই বিজেপির নতুন রাজ্য সভাপতির নাম নিশ্চিত হয়ে যাবে, সম্ভাবনার কথা বিশ্ববাংলা সংবাদ মঙ্গলবারই জানিয়েছিল। সেই সঙ্গে শমিক ভট্টাচার্যের উপর যে আরএসএস-এর (RSS) আস্থা থাকার কারণে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বও আস্থা প্রকাশ করতে চলেছেন, এমন সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত বুধবার নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শমিক ভট্টাচার্য ছাড়া আর কারও মনোনয়ন (nomination) জমা পড়েনি। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা সুনীল বনসলের উপস্থিতিতে নির্বাচনী আধিকারিক দীপক বর্মনের হাতে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। যদিও সভাপতির নাম ঘোষণা করা হয় সন্ধ্যায়।

রাজ্য সভাপতির নাম যে একরকম নিশ্চিতই ছিল, তার প্রমাণ বিজেপি নেতৃত্ব সভাপতির সংবর্ধনার মঞ্চ বাধার কাজ প্রায় সেরে ফেলেছে বুধবার দুপুরে। মনোনয়ন পর্ব মেটার পরেই শমিক জানান, দল নিজস্ব ছন্দেই চলছে। নেতৃত্বের দেওয়া দায়িত্ব তিনি পালন করবেন। সেই সঙ্গে শাসকদল তৃণমূলকে বার্তা দেন, বিজেপির সংগঠন নেই বলে যে দাবি করা হয়, তার আসল রূপ এবার প্রকাশিত হবে।

কার্যত বিজেপির নবনির্বাচিত রাজ্য সভাপতির এই বুলি যে ফাঁকা আওয়াজ তা প্রমাণ করে দেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। শমিক ভট্টাচার্যের নতুন পদের জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান ফিরহাদ। তিনি বলেন, শুভেচ্ছা জানাই শমিককে। দীর্ঘদিন ওনার সঙ্গে এই বিধানসভায় (state assembly) একসঙ্গে কাজ করেছি। নতুন কাজে তিনি অবতীর্ণ হয়েছেন তার জন্য শুভেচ্ছা।

আরও পড়ুন: হাসিনার ছয়মাসের কারাদণ্ড! মামলার সঙ্গে যুক্তদের হুমকির অভিযোগ

তবে তৃণমূল প্রসঙ্গে শমিক যে মত পোষণ করেন, তার পাল্টা ফিরহাদ জানান, আশা করা ভালো। প্রত্যাশা ভালো নয়। শমিক (Shamik Bhattacharya) নিজেও জানেন তৃণমূলকে সরানো অসম্ভব। সভাপতি (state president) বদল করলেই তৃণমূলের যে ভিত্তি তা সরানো সম্ভব নয়। বিজেপি নিজেদের সংগঠনের মধ্যে থাকুক। আনন্দ করুক। সভাপতি হোক। খাওয়া দাওয়া হোক। কিন্তু তৃণমূলকে সরানোর প্রত্যাশা কখনই সম্ভব হবে না। কারণ তৃণমূলের নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁর উপর সমস্ত বাংলার মানুষের আস্থা আছে।

Related articles

দিল্লিতে বন্ধুর বাড়িতে! খোঁজ মিলল পরিচালক উৎসবের

তিন সপ্তাহের বেশি উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তার অবসান ঘটল অবশেষে। পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার উৎসব মুখোপাধ্যায়ের (Utsav Mukherjee) সন্ধান...

জঙ্গি হামলার আশঙ্কা: বাংলাদেশে জারি ‘রেড এলার্ট’!

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের হামলার আশঙ্কায় রেড অ্যালার্ট (Red Alert) জারি করল বাংলাদেশ সরকার (Bangladesh Govt.)। সরকারের তরফ থেকে...

বকেয়া টাকা চাওয়ার ‘শাস্তি’! দিল্লিতে যুবকের হাত কাটলো আততায়ীরা

পাওনা টাকা ফেরত চাওয়াই কাল হলো ৩২ বছর বয়সী এক যুবকের (Delhi Crime)। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির দ্বারকা একালায়...

নারী-সংখ্যালঘু-বাঙালি বিরোধী বিজেপি: আরামবাগের সভা থেকে গর্জে উঠল দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ

বিজেপি নারীবিদ্বেষী, মুসলিম বিদ্বেষী এবং বাঙালি বিদ্বেষী দল। রবিবার, আরামবাগের (Arambagh) জনসভা থেকে গর্জে উঠল দেশ বাঁচাও গণমঞ্চ।...