মাঝে কেবল একটা দিন, তারপরেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন (Bangladesh Election)। তার আগে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু ভোট টানতে দীপু দাসের (Dipu Das) পরিবারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা ইউনূস সরকারের! হাসিনা সরকারের (Sheikh Hasina) পতনের পর থেকেই কার্যত সেদেশের সংখ্যালঘুদের উপর মর্মান্তিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। একের পর এক হিংসা, রক্তপাত, মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে। অন্তর্বর্তী ইউনূস সরকার অধীনস্থ বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসন সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এই আবহে নয়া পন্থায় সংখ্যালঘু ভোট পেতে মরিয়া ইউনূস।

গত ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহের ভালুকায় মর্মান্তিকভাবে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল সেদেশের সংখ্যালঘু যুবক দীপু দাসের। প্রথমে তাঁকে টেনে হিঁচড়ে কারখানার বাইরে আনে উন্মত্ত জনতা। তারপরেই তাঁকে মারতে মারতে বিক্ষুব্ধ জনতা সোজা নিয়ে যায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে। সেখানে গাছে দীপুর দেহ বেঁধে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ২৩ ডিসেম্বর পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিহত দীপু দাসের বাড়ি পরিদর্শন করতে শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সিআর আবরারকে পাঠান ইউনূস। আরও পড়ুন: বিজেপিশাসিত রাজ্যে ‘দুর্নীতির জেরে’ আত্মহত্যা কনস্টেবলের!

মঙ্গলবার মহাম্মদ ইউনূসের ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে, ৫০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা করা হবে দীপু দাসের পরিবারকে। যার মধ্যে বাড়ি তৈরির জন্য ২৫ লাখ, দীপু দাসের বাবা ও স্ত্রীকে ১০ লাখ করে টাকা দেওয়া হবে। এছাড়াও, ৫ লাখ টাকা তাঁদের শিশুকন্যাকে ফিক্সড ডিপোজিত করিয়ে রাখার কথাও বলা হয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার বলেন, ‘দীপু দাসের খুন এমন এক অপরাধ। যে আর্থিক সাহায্য সরকার করছে তা প্রাণের থেকে বেশি কিছু নয়। রাষ্ট্র নিশ্চয়ই এর বিচার করবে।’

–

–

–

–

–

–

–

