Tuesday, June 9, 2026

ভোটের পরে দুমাস রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী: হারের আশঙ্কায় ঘোষণা শাহর!

Date:

Share post:

রাজ্যের ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বকেয়া টাকা – কোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের মানুষের স্বার্থে এগিয়ে আসতে দেখা যায় না কেন্দ্রের মোদি সরকারকে। নির্বাচন শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচনের (assembly election) পরের দুমাসের জন্য এই রাজ্যে কি হবে, তা নিয়ে আগাম ঘোষণা করে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। ক্ষমতায় না এসেই রাজ্যে দুমাসের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

৪ মে গণনা মিটে যাওয়ার পরেও অন্তত ৬০ দিন কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে বাংলায়, জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election) শেষের পরেও বেশ কিছু দিন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজ্যে মোতায়েন রাখা হয়েছিল। কিন্তু এবার সে সময়সীমা নির্দিষ্টভাবে বেড়ে দু’মাস হচ্ছে বলে শাহের ঘোষণা। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে তথা আইনশৃঙ্খলা বহাল রাখতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ৬০ দিন বাংলায় রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত।

গত ৬০ ঘণ্টায় নানা অভিযোগে গ্রেফতার ২,৪৭৩ জন, জানিয়েছে কমিশন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পরেও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করে বাহিনী মোতায়েন রাখার সময়সীমা বাড়িয়ে নিয়েছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। এবার নির্বাচনেই রেকর্ড সংখ্যক বাহিনী বাংলায়। তবে নির্বাচন পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকার সময়সীমার বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ আসেনি। অন্যদিকে শাহ প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ঘোষণা করার পরে নির্বাচন কমিশনও (ECI) তার বিরোধিতা করেনি। কিন্তু ভোটে যদি তৃণমূল ক্ষমতায় ফেরে, তা হলে বাহিনী মোতায়েন রাখার এই ঘোষণা ঘিরে টানাপোড়েন শুরু হতে পারে। আইন শৃঙ্খলা যেহেতু রাজ্যের বিষয়, তৃণমূলের সরকার গঠিত হলে তারা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরোধিতার পথেই যাবে।

আরও পড়ুন : এবার সুপ্রিম কোর্টে মামলা: আইপিএস অজয় পাল শর্মার জরুরি ভিত্তিতে অপসারণ দাবি

নির্বাচন পরবর্তী হিংসা রুখতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দুমাস রেখে দেওয়ার ভাবনা সম্পর্কে অনেকেরই আপত্তি নেই। কিন্তু প্রশ্নও উঠছে, বিজেপি যদি জয়ের বিষয়ে ‘আত্মবিশ্বাসী’ হয়, তা হলে ভোটের পরেও বাহিনী কেন? জয়ের বিষয়ে যদি বিজেপি নিশ্চিত হয় তবে ৪ মে ফল ঘোষণার পরে রাজ্যের পুলিশও বিজেপির নিয়ন্ত্রণেই থাকবে। সে ক্ষেত্রে পুলিশকে (state police) দিয়েই তো হিংসা ঠেকিয়ে দেওয়া সম্ভব। কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) প্রয়োজন পড়বে কেন? সেখানেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তবে কি হারের ভয়ে আগেই এই প্রস্তুতি?

Related articles

শুভেন্দু-সরকারের ভূয়সী প্রশংসা বুদ্ধ-জায়ার, সিঙ্গুরবাসীকে নিয়ে দিলেন অজানা তথ্য 

বাংলার বিজেপি সরকারের কাজের ভূয়সী প্রশংসা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের (Buddhadev Bhattacharya) স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্যের (Mira...

ভোট মিটতেই হেঁশেলে কোপ! উজ্জ্বলার ভর্তুকি ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্তে ফুঁসছেন মহিলারা 

প্রতিনিয়ত আতঙ্ক বাড়ছে সাধারণের মনে। পেট্রোপণ্য থেকে রান্নার গ্যাস— মোদি সরকারের জাঁতাকলে ওষ্ঠাগত প্রাণ। ভোটের আগে মহিলা ভোটব্যাঙ্ককে...

ISL: ক্রীড়ামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কাটছে জট, দিল্লিতে ত্রি-পাক্ষিক বৈঠকে আশার আলো

আইএসএল(ISL) জট কাটাতে সোমবার দিল্লিতে  সব ক্লাব, ফেডারেশনের(AIFF) সঙ্গে বৈঠকে বসেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্য(Mansukh Mandaviya)।  এই...

Bengal T20 League: জয় পেল শ্রাচীর পুরুষ ও মহিলা দল, বল বিতর্কে কী বললেন ঈশ্বরণ?

চলতি মরশুমে বেঙ্গল টি২০ লিগে( Bengal T20 League)  জয় ছিনিয়ে নিল শ্রাচী রাঢ় টাইগার্স(Shrachi Rarh Tigers)। সোমবার ইডেনে...