দাদার দেখানো পথে হেঁটেই সাফল্যের দেখা পেল মাধ্যমিকে ছাত্রীদের মধ্যে প্রথম হওয়া বেদশ্রুতি সিনহা(Bedoshruti Sinha )।২০১৪ মাধ্যমিকে দাদা বাণীব্রত সিনহা সপ্তম স্থান অধিকার করেছিল। এখন তিনি বিদেশে কর্মরত। উত্তর দিনাজপুরের এই কন্যা ভবিষ্যতে হতে চায় ইঞ্জিনিয়ার। তাই আপাতত তার গন্তব্য এখন হায়দরাবাদ। বেদশ্রুতি(Bedoshruti Sinha) আপাতত দক্ষিণের রাজ্যেই রয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে রসায়ন, গণিত ও পদার্থবিদ্যা নিয়ে। সেখানে থেকেই ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে সে। এবারে মাধ্যমিকে সামগ্রিকভাবে পঞ্চম স্থান অধিকার করলেও মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছে বেদশ্রুতি। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৩।

এই কৃতি ছাত্রীর বাবা মা জানাচ্ছেন, ভালো ফল আশা করেছিলেন সকলেই তবে মেয়ে যে এভাবে তাক লাগিয়ে দেবে তা ভাবতে পারেননি তারা। তবে সারাক্ষণ পড়াশোনা নিয়ে নয় বরং গান বাজনা নিয়ে থাকতে ভালোবাসে বেদশ্রুতি। গিটার বাজিয়ে গানও গায় সে। সাফল্যের ছোঁয়া পেতে সে কোনও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে পড়াশোনা করত না। যখনই পড়তে বসত, মন দিয়ে পড়ত। পাঠ্যবইয়ের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয় আয়ত্ত করাই ছিল তাঁর তুরুপের তাস।
বেদশ্রুতি এই সাফল্যের নেপথ্যে পরিবারের সমর্থন এবং শিক্ষকদের অবদানের কথা এক কথায় স্বীকার করেছে সে। বেদশ্রুতির এই কৃতিত্বে গর্বিত জেলাবাসী। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে পাড়ার মোড়, সর্বত্রই এখন আলোচনার কেন্দ্রে জেলার এই মেধাবী ছাত্রীর। নিজের সাফল্যে খুশি হলেও পা মাটিতেই রাখছেন বেদশ্রুতি সিনহা।

–

–

–

–

–
