এখনও সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে কতটা ব্যর্থ কেন্দ্রের বিজেপি সরকার প্রমাণিত মনিপুরে। এবার জঙ্গিদের গুলিতে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের তিন ধর্মগুরুর (Christian clergymen) মৃত্যুর ঘটনায় ফের একবার উত্তেজনা হিংসা বিধ্বস্ত কাংপোকপিতে (Kangpokpi)। স্থানীয়দের অভিযোগ অসম রাইফেলস-এর (Assam Rifles) ক্যাম্প কাছেই, তার পরেও কিভাবে এই নারকীয় হামলা হয়?
সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঘটনায় অসম রাইফেলসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে মনিপুরের কুকি ও নাগা সম্প্রদায়ের মানুষ। কুকি (Kuki) সম্প্রদায়ের বিভিন্ন গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে মনিপুর পুলিশ (Manipur Police) ৬ জনকে গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছিল। সেই সঙ্গে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ারও দাবি করা হয়েছিল। চুড়াচাঁদপুর (Churachandpur) জেলার এই তল্লাশি অভিযানের পরই মুখ ঢাকা অসম রাইফেলসের জওয়ানদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল কুকি সম্প্রদায়ের মানুষ।

অন্যদিকে মঙ্গলবার কুকিদের গ্রাম থেকে গ্রেফতারির ঘটনার পরই হামলা চালানো হলো থাডোউ ব্যাপটিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের একটি কনভয়ে। চুড়াচাঁদপুর (Churachandpur) জেলার কাংপোকপি (Kangpokpi) যাচ্ছিলেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মগুরুরা (Christian clergymen)। সেই সময় জঙ্গল থেকে তাঁদের উপর গুলি চালানোর অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। পাঁচজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এই ঘটনার পরে ক্ষোভে ফেটে পড়ে কুকি স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন (KSO)। তাদের প্রশ্ন, বর্বরোচিত এই হামলা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর (Central Force) থাকা অবস্থায় কিভাবে হয়? হামলা যেখানে চলেছে তার কাছেই অসম রাইফেলসের (Assam Rifles) ক্যাম্প রয়েছে। এই ঘটনা নিন্দা করেছে নাগাল্যান্ড জয়েন্ট খ্রিস্টান ফোরাম ও একাধিক খ্রিস্টান সংগঠন।

আরও পড়ুন : বিরাট ধাক্কা আসতে চলেছে: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আশ্বাসের পরই সতর্ক করলেন শিল্পপতি

যেভাবে কুকিরা এই ঘটনার পর অসম রাইফেলসের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে, একইভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে থাংকুলের নাগা (Naga) সম্প্রদায়ের মানুষও। তারা দাবি করে, এলাকায় অসম রাইফেলসের উপস্থিতিতেই জঙ্গিরা প্রবেশ করছে বেশি করে। বাহিনী তাদের গ্রামগুলিকে কোনও নিরাপত্তাই দিতে পারছে না। নাগা মহিলারা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল হয়।

–

–
–
–
