Tuesday, May 19, 2026

গণতন্ত্রের জন্যে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন প্রয়োজন: ‘ঘরে ফেরা’র বিষয়ে সাফ বললেন হাসিনা

Date:

Share post:

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রত্যাবর্তন প্রয়োজন। তবে, সেটা কোনও নির্দিষ্ট দিনের উপর নির্ভরশীল নয়। দাবি করেছেন বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Seikh Hasina)। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনা বলেন, “প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি।”

গণঅভ্যুত্থানের ফলে ২০২৪ সালের অগাস্টে ক্ষমতাচ্যুত হন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা (Seikh Hasina)। সেদিন থেকেই ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন আওয়ামি লিগের নেত্রী (Awami League Leader)। বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছে। তারপর থেকেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে প্রত্যর্পণের জন্যে ভারতের (India) কাছে দাবি জানাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি দিল্লি (New Delhi)। এই পরিস্থিতিতে এদিন প্রত্যাবর্তনের কথা শোনা গেল হাসিনার মুখে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে হাসিনা বলেন, “প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়ের ওপর নির্ভরশীল নয়। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করে চলেছি। এটি শুধু আমার প্রত্যাবর্তনের জন্যই নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যও প্রয়োজনীয়।”

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট জানান, তাঁর নীরবতা তাঁর দুর্বলতা মনে করলে ভুল হবে। তাঁর কথায়, ”একটি বিষয় খুব স্পষ্ট করে বলতে চাই আমার অনুপস্থিতির অর্থ আমার নীরবতা নয়। আমি প্রতি মুহূর্তে দেশের জন্য লড়াই করছি এবং আমরা কূটনৈতিক পর্যায়ে, আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর মধ্যে দিয়ে এবং বিশ্বব্যাপী গণমাধ্যমের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।”

বাংলাদেশে আওয়ামি লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে নেত্রী বলেন, ”এটি জনগণের দল। শুধু কাগজ-কলমে একে বিলুপ্ত করা যায় না। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ ও বিলুপ্ত করা গেলে বাংলাদেশের জন্মই হত না।”

ভারত-বাংলাদেশে সম্পর্কের বিষয়ে বঙ্গবন্ধুর কন্যার মত, “ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক। ভারত শুধু আমাদের প্রতিবেশীই নয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে এই দেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দেশের কিছু রাজনৈতিক ও উগ্রপন্থী গোষ্ঠী ভারত-বিরোধী বক্তব্যকে রাজনীতিকরণ করে আসছে। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারও একই কাজ করেছিল।”

Related articles

ইংল্যান্ডের মাটিতে নয়া ইতিহাস! লন্ডনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত তুষার হলেন সর্বকনিষ্ঠ মেয়র

ইংল্যান্ডের মাটিতে ইতিহাস গড়লেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত তুষার কুমার । লন্ডনের এলস্ট্রি এবং বোরহামউড টাউন কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচিত হলেন...

তৃণমূল নেতাকে ‘বিনা কারণে’ গ্রেফতারের অভিযোগ! স্বরূপনগর থানায় জবাব তলব ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের

রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর থেকেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু হয়েছে এবং বিনা কারণে শাসকদলের নেতা-কর্মীদের নিশানা করা...

সাংসদ সায়নীর মাথা কাটলে ১ কোটি পুরস্কার! ঘোষণা যোগীরাজ্যের পুরসভার চেয়ারম্যানের

মহিলাদের অধিকার ও নারী স্বাধীনতার দাবি করে মহিলা সংরক্ষণ বিল আনতে চলা বিজেপির নেতাদের নারীর প্রতি সম্মানের জায়গাটা...

রাজ্যের পরবর্তী সিইও কে? তিন আইএএস আধিকারিকের নাম দিল্লিতে পাঠাল নবান্ন

রাজ্যের পরবর্তী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) কে হতে চলেছেন, তা নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে জল্পনা শুরু হয়েছে। নবান্ন সূত্রে...