Thursday, April 30, 2026

মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় সুশান্তকে! ডাক্তারের ভার্চুয়াল অটোপ্সিতে ঘুম ছুটেছে মুম্বই পুলিশের

Date:

Share post:

মুম্বই জুড়ে একটি ভিডিও ভাইরাল। যা নিয়ে বিড়ম্বনায় মুম্বই পুলিশ ভিডিওটি এক ডাক্তারের।নাম মীনাক্ষী মিশ্র। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের হাসপাতালের তিনি ডারমাটোলজিস্ট। সুশান্ত সিং রাজপুতের বডির তিনি ভার্চুয়াল অটোপ্সি করেছেন। আর তার রিপোর্ট ছেড়েছেন একটি ভিডিওতে। সেখানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানাচ্ছেন, সুশান্তের মৃত্যু মোটেই আত্মহত্যা নয়, এটা পরিষ্কার একটি খুন। মুম্বই পুলিশ অন্য কাউকে বোকা বানাক, ডাক্তারদের কেন ‘বুদ্ধু’ ভাবতে শুরু করেছে?

মীনাক্ষীর দেওয়া যুক্তিগুলো ঘাঁটলে সাধারণ মানুষও তাঁকে সমর্থন করবেন…

১. কেউ গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলে তার চোখ বাইরে বেরিয়ে আসবে, জিভও বেরিয়ে আসবে। এটাই বলছে বিজ্ঞান। কিন্তু সুশান্তের ক্ষেত্রে মোটেই তা দেখা যায়নি। তার একটি চোখের একদিক হাল্কাভাবে খোলা ছিল।

২. সুশান্তর বাঁদিকেএ ভ্রূর উপর সজোরে ঘুষি মারার চিহ্ন রয়েছে। এমনকী ঠোঁটের কাছে রস গড়িয়ে পড়েছে। সুইসাইড করলে এগুলো কীভাবে সম্ভব? এটা বোকা বানানোর খেলা চলছে। তাছাড়া যে দড়ি গলায় লাগানো ছিল, ঘাড়ের কাছে ফাঁস ছিল। আর সেই ফাঁসের চিহ্ন পেন দিয়ে আঁকা ছিল সুশান্তের ঘাড়ের কাছে। কেন? কে করল? আত্মহত্যা করতে যাওয়া কোনও মানুষের পক্ষে এটা সম্ভব নয়।

৩. ফাঁসের দাগ হয়েছিল মারধরের কারণেই। কেউ একজন সর্বশক্তি দিয়ে সুশান্তকে।মেরেছিল। যে কারণে সুশান্তের বাঁদিকে ঘাড়ের কাছে ট্রমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। মীনাক্ষীর সাফ কথা, খালি চোখেই দেখা যাচ্ছে, সুশান্তকে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুশান্তের শরীর ‘পেল’ ছিল। অর্থাৎ ওকে মারা হয়েছিল কম করে ১৫-১৮ ঘন্টা আগে।

৪. সুশান্তকে মারা হয়েছিল ১৩ তারিখ রাতেই। সকালে জুস চাওয়ার যে ঘটনার কথা শোনা যাচ্ছে, সেটা আসলে একটা মিথ্যার বেড়াজাল। অভিযুক্তরা ঘটনা থেকে নিজেদের বের করে আনতে এসব ফন্দি করছে। ফন্দি। সুশান্তকে এতটাই মর্মান্তিকভাবে মারা হয়েছিল যে তার দুটো হাঁটুই ভাঙা ছিল।

৪. মুম্বই পুলিশের কাছে সুশান্তের দড়িতে ঝুলে থাকার কোনও ছবি নেই। সেই কারণে অনেকেই বিশ্বাস করতে নারাজ এটি আত্মহত্যা। তাঁর যুক্তি মুম্বই পুলিশ আত্মহত্যার তত্ত্ব, বিদেশ থেকে ধার করে এনেও বিশ্বাস করাতে পারবে না।

৫. তথ্য লুকোনোর কারণে মুম্বই পুলিশের শাস্তি হওয়া উচিত। আত্মহত্যার ঘটনা, বিশেষত গলায় ফাঁস দিয়ে মৃত্যুর হলে তাকে দড়ি খুলে নামানোর দায়িত্ব ফরেন্সিক এক্সপার্টদের, পুলিশের নয়। যা পুলিশ করে গর্হিত অপরাধের কাজ করেছে।

Related articles

উন্নয়নমুখী রাজনীতিকে সমর্থন! ৯১ শতাংশ পেরিয়ে বাংলায় নজিরবিহীন ভোটদান

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ছাপিয়ে গিয়েছে ২০১১ সালের ঐতিহাসিক ৮৪.৩৩ শতাংশ ভোটদানের রেকর্ডও। রাজনৈতিক বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ...

‘‘সরল পাটিগণিত, বিজেপি হারছে’’! কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ তৃণমূলের 

বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ। বুধবার সন্ধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে শশী পাঁজা এবং কুণাল...

লুঙ্গি পরায় ভোটদানে বাধা কেন্দ্রীয় বাহিনীর! পোশাক দিয়ে ভোটারের বিচারে ক্ষুব্ধ মমতা

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় (Second phase of West Bengal Assembly Election) নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গাইঘাটা...

ইভিএমে টেপ লাগালো দুষ্কৃতী: তাড়াহুড়ো করে পুণর্নির্বাচন নয়, জানালন সিইও মনোজ

পুণর্নির্বাচন একটি বিরাট ব্যাপার। ফলে কোনও বুথ বা কেন্দ্রে পুণর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে গেলে অনেক তদন্ত করতে হবে, স্পষ্ট...