রাজ্যে রাজ্যে বিজেপি সরকার অনুমোদিত রাজ্যপালরা(Governor) সমস্যার ফেলছে রাজ্য সরকারকে। বাংলার পর সেই ছবি এবার দেখা গেল বাম শাসিত রাজ্য কেরলে। বঙ্গের মতই এবার কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খানের(Arif Mohammad Khan) সঙ্গে দ্বন্দ্ব চরমে উঠলো সিপিএমের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের(Pinarayi Vijayan)। অনেকটা ঠিক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বনাম জগদীপ ধনকড়ের বিরোধের মতই। বিবৃতি পাল্টা বিবৃতির পাশাপাশি চলছে পত্রাঘাত। কেরলেও রাজ্যপাল বনাম সরকার সংঘাতের সূত্রপাত উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে।


নিয়ম অনুযায়ী রাজ্য সরকার নির্বাচিত কোন প্রার্থীকেই উপাচার্য হিসেবে রাজ্যপাল আনুষ্ঠানিক নিয়োগের সম্মতি দিতে বাধ্য। সেই হিসেবে বিধানসভা নির্বাচনের পর কেরলের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ করেছে রাজ্য সরকার। আর এতেই আপত্তি শুরু করেছেন রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। অভিযোগ তুলেছেন রাজ্য সরকার রাজ্যপালের মতামতকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। রাজ্য সরকার উচ্চশিক্ষায় হস্তক্ষেপ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন খর্ব করছে বলে অভিযোগ তার। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গিয়েছে যে আচার্য পর থেকে ইস্তফা দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। যদিও রাজ্যপালের এহেন হুঁশিয়ারিকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে নারাজ কেন্দ্র সরকার। যার ফলে প্রতিপদে লেগেছে ঠোকাঠুকি।
আরও পড়ুন:KMC 97: জঞ্জালমুক্ত করেছেন, এবার মলয় ভ্যাটমুক্ত শহর উপহার দিতে চান কলকাতাবাসীকে

উল্লেখ্য, উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে একই রকম সংঘাত শুরু হয়েছিল রাজ্য সরকারের। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইনের সংশোধন করে আচার্য তথা রাজ্যপালের হাত থেকে সব ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি সার্চ কমিটিতেও রাজ্যপালের ক্ষমতা কিছুটা কমিয়ে দেওয়া হয়। কেরলে অবশ্য আইন পরিবর্তনের পথে হাঁটেনি এখনো। উপাচার্য নিয়োগকে কেন্দ্র করে ঠিক এই জায়গা থেকেই রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত চরম আকার নিয়েছে।


















