নেপালে কোনও দুর্ঘটনা বা অশান্তি হলে সব সময়ই তার আঁচ প্রতিবেশী রাজ্য বাংলার উপর পড়ে। সোমবার থেকে নেপালে (Nepal) যে বিক্ষোভের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার দরুণ যাতে বাংলায় অশান্তি কোনওভাবেই না ছড়াতে পারে তার জন্য দ্রুত কড়া অবস্থান নিয়েছে বাংলার প্রশাসন। জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। মঙ্গলবারই উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সেখানে প্রশাসনিক সভা করবেন তিনি। ফলে নিরাপত্তায় আরও কড়া অবস্থান রাজ্য পুলিশের।
নেপাল সীমান্তবর্তী বিভিন্ন জায়গায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জারি করা হয়েছে। কেন্দ্রের সরকারের সিদ্ধান্তে বন্ধ হয়েছে শিলিগুড়ি থেকে কাঠমাণ্ডু বাস পরিষেবা। নেপালের বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এটা ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত। এটা অবশ্যম্ভাবী ছিল। এটা সঠিক সিদ্ধান্ত। কেন সাধারণ মানুষ সমস্যার মুখে পড়বেন। যতক্ষণ শান্তি প্রতিষ্ঠা না হবে ততক্ষণ আমাদের নাগরিকদের পরিস্থিতির শিকার হতে দেওয়া যায় না।

নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার (Rajeev Kumar, DGP) ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের আইজি, দার্জিলিংয়ের পুলিশ সুপার এবং শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারকে সীমান্তবর্তী এলাকায় বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দিয়েছেন। কোনও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রথম থেকেই কড়া হাতে মোকাবিলা করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। সোমবার রাতেই ডিজিপি (Rajeev Kumar, DGP) সরাসরি দার্জিলিংয়ের এসপি এবং সীমান্তবর্তী অন্যান্য জেলার পুলিশ সুপারদের সঙ্গে কথা বলেন। মঙ্গলবার সকালে নেপালের কাঁকরভিটা সীমান্তের ওপারে টায়ার জ্বালানোর ঘটনা ঘটতেই দার্জিলিংয়ের এসপি ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান।

আরও পড়ুন: সীমান্তে শান্তি বজায় রাখুন: নেপালে অশান্তির পরিস্থিতিতে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সীমান্ত এলাকায় ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ ফোর্স, র্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স। পাশাপাশি মিরিক সংলগ্ন পশুপতিনগর, পানিট্যাঙ্কি এবং কাঁকরভিটা এলাকায় বাড়ানো হয়েছে ইন্টেলিজেন্স নজরদারি।

–

–

–
–
–
