ভিনরাজ্যে ফের রহস্যমৃত্যু হল বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হস্তক্ষেপে ফেরানো হচ্ছে পুরুলিয়ায় পরিযায়ী শ্রমিক (migrant labour) অনাদি মাহাতোর দেহ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, উদ্ধারের পর মৃতদেহ ফেলেই রাখা হয়েছিল। এরপরই তাঁরা স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের মাধ্যমে যোগাযোগ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দফতরে। তারপরই বিমানে ওই শ্রমিকের দেহ ফেরানোর তৎপরতা শুরু হয়।

মঙ্গলবার রাতে কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) রহস্যমৃত্যু হয় পুরুলিয়ার ঝালদা দু’নম্বর ব্লকের খৈরি গ্রামের বাসিন্দা অনাদি মাহাতো (২৯)-র। মঙ্গলবার তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতদেহ উদ্ধারের পরেও ময়নাতদন্ত না হওয়ায় সন্দেহ বাড়ে বাড়ির লোকজনের। তাঁরা পুরুলিয়া (Purulia) জেলা তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়নের জেলা সভাপতি উজ্জ্বল কুমারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তৎক্ষণাৎ দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। অভিষেকের হস্তক্ষেপ অনাদির দেহ ফেরত আনার পাশাপাশি ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

বেঙ্গালুরু (Bengaluru) থেকে বিমানে মৃতদেহ নিয়ে আসা হবে ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে। সেখান থেকে অ্যাম্বুল্যান্সে পুরুলিয়ার (Purulia) গ্রামের বাড়িতে ওই পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ আসবে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, সোমবার রাত ১১টা থেকে প্রায় এক ঘন্টা স্ত্রী প্রীতিলতা মাহাতোর সঙ্গে ফোনে কথা হয় অনাদির। ৩ বছরের ছেলে ও ৬ বছরের মেয়ের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন। স্ত্রী প্রীতিলতা বলেন, প্রতিদিন ভোরবেলা রান্না করে কাজে বের হত অনাদি। ভোর ৪ টার সময় ফোন করত। মঙ্গলবার ভোরে ফোন না করতেই সন্দেহ হয়। সহকর্মীদের ফোন করে জানতে পারি, ওর শরীর অসুস্থ। তারপরেই জানানো হয়, আমার স্বামী মারা গিয়েছে। কয়েকঘণ্টার মধ্যে কী এমন হয়ে গেল যে, আমাদের সব শেষ হয়ে গেল।

আরও পড়ুন : গোপীনাথপুরে শাহর পাল্টা সভা অভিষেকের: প্রকাশ্যে পোস্টার

তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব জানিয়েছে, আমরা অ্যাম্বুলেন্সে দেহ ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছি। আমরা ওই পরিবারের পাশে আছি। সবরকম সাহায্য করব আমরা।

–

–

–

–

–



