পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের রেশ ধীরে ধীরে কমবেশি বিশ্বের সব দেশেই পড়ছে। বর্তমানে জ্বালানি নিয়ে সঙ্কটে ভুগছে বাংলাদেশ (Bangladesh Fuel Crisis)। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে দেশের জ্বালানি সঞ্চয় করা যায় তা নিয়ে নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ। তারেক রহমান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সোমবার থেকে দেশের সরকারি-বেসরকারি সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে সরকারি তরফে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের সহকারী সচিব সুলতান আহমেদ স্বাক্ষরি আদেশের ভিত্তিতে সেদেশের শিক্ষামন্ত্রক দেশজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ঈদ-উল-ফিতরের শিক্ষাবর্ষের নির্ধারিত সময়সূচী অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বন্ধ থাকবে। এর পাশাপাশি, সরকার নাগরিকদের জ্বালানি ও বিদ্যুতের ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রকের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে, জ্বালানি খরচ কমাতে জনগণকে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত সীমিত করতে বা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। আরও পড়ুন: সরকারি হাসপাতালে ঢুকে লিভ-ইন পার্টনারের উপর অ্যাসিড হামলা

যুদ্ধের খবরে তেলের দাম ও জ্বালানি নিয়ে সঙ্কটের কথা সামনে আসার পর থেকেই ঢাকার পেট্রোল পাম্পগুলোতে বিশাল লাইন দেখা গিয়েছে। জ্বালানির চাহিদা কমাতে নাগরিকদের নিজেদের গাড়ি কম ব্যবহার করে গণপরিবহনের উপর আরও বেশি নির্ভর করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ প্রশাসনের কর্তারা বলছেন যে, আমদানিকৃত জ্বালানির উপর বাংলাদেশের অত্যধিক নির্ভরতার কারণে এই ব্যবস্থাগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

–

–

–

–

–

–

–

