ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদির সভার (Narendra Modi Brigade meeting) দিন রণক্ষেত্র গিরিশ পার্কে আক্রান্ত হন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা (Sashi Panja)। খুনের চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মন্ত্রী নিজে। বিজেপি (BJP) কর্মীর সমর্থকেরা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই হামলা করেছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের (TMC)। দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার কারণে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার রুজু করে তদন্তে শুরু করে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। এখনও পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে অন্তত ৩ জন সক্রিয় বিজেপি কর্মী বলে জানা গেছে। শনিবার রাতেই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। রবিবার সকালে আরও পাঁচজনকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। ঘটনায় একে অন্যের দিকে আঙুল তুলে তৃণমূল এবং বিজেপির দু’দলের তরফেই অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বাংলায় নির্বাচনের আগে ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করতে শনিবার কলকাতায় আসেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। ব্রিগেডে তাঁর সভায় যোগ দেওয়ার জন্য উত্তর কলকাতার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে যাচ্ছিলেন। অনেকে বাসে করেও যান। তৃণমূলের অভিযোগ, বাস থেকে বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা নেমে মন্ত্রীর বাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকে। বাড়ির জানালার কাচ ভাঙা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় দরজাও। পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে আক্রান্ত হয় পুলিশও। দু পক্ষের কর্মী সমর্থকরাও আহত হয়েছেন বলে খবর মেলে। পরিকল্পিতভাবে এই হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শশী নিজে। বিকেলে আক্রান্তদের নিয়ে তৃণমূল ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠকও করেন মন্ত্রী। পুলিশ জানিয়েছে এই ঘটনায় আহত ৬ অফিসার চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। কিন্তু দুজন এখনও চিকিৎসাধীন। শনিবার দুপুরের পর থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকার পুলিশ মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে। ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় (DC Central Indira Mukherjee) সন্ধ্যায় সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের থেকে প্রাপ্ত ভিডিওর ভিত্তিতে গ্রেফতারি বলে জানা যাচ্ছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

–

–

–

–

–

–

–

–


