ট্রংলাওবি বোমা (Tronglaobi Bombing) হামলায় দুই শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল মণিপুর (Manipur Violence)। ঘটনার এতদিন পেরিয়ে গেলেও মূল অপরাধীরা ধরা না পড়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন স্থানীয় জনতা। এরই প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে দোষীদের শাস্তির দাবিতে ৭ দিনের ‘টোটাল শাটডাউন’-এর (Imphal Shutdown) ডাক দিয়েছে মণিপুরের প্রথম সারির সংগঠন মেইরা পাইবি লুপ। ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত এই বনধ চলবে বলে জানান বিক্ষোভকারীরা। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ২৫ তারিখের মধ্যে যদি বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত থাকা ব্যক্তিদের গ্রেফতার না করা হয় তাহলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।

শনিবার ইম্ফল পশ্চিমের সাগোলবন্দে অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে শান্তিপূর্ণ মশাল বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা। বিক্ষোভকারীরা দাবি তোলেন, সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ সরকার। এমনকি অপরাধীদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতেও অক্ষম নরেন্দ্র মোদী সরকার। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তরফ থেকে কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে ছত্রভঙ্গ করা হয় বিক্ষোভকারীদের। কর্তৃপক্ষের দাবি ইতিমধ্যেই ইউনাইটেড কুকি ন্যাশনাল আর্মির সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত সোমবার রাত ১টা নাগাদ। বিষ্ণুপুরের মইরাং ট্রংলাওবি গ্রামে পাহাড়ের দিক থেকে অতর্কিত বোমা হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। একটি শক্তিশালী বোমা এসে পড়ে স্থানীয় এক বাড়ির ওপর। বিস্ফোরণের জেরে ঘরের মধ্যে ঘুমিয়ে থাকা ৫ বছরের এক শিশু এবং মাত্র ৬ মাসের এক শিশুর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন দুই শিশুর মা। অভিযোগের আঙুল উঠেছে পাহাড়ি কুকি অধ্যুষিত এলাকার জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোর দিকে। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনার প্রতিবাদে একের পর এক গাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এরপর সমাধানের পথ থেকে সরে এসে পরিস্থিতি সামলাতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করার করেন বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী ওয়াই খেমচাঁদ সিং।

–

–

–

–

–
–
–
