দ্বিতীয় দফায় ভোটে ফোকাসে হাইভোল্টেজ ভবানীপুর। ভোটের সকালেই বুথ পরিদর্শনে বেরিয়ে পড়লেন ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banarjee)। সাত সকালেই ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের চেতলার বুথে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভোট কেমন হচ্ছে সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেন, কথা বলেন ফিরহাদ হাকিমের সঙ্গে।

ভবানীপুর কেন্দ্রের বুথে বুথে সারা দিন তিনি ঘুরবেন বলে জানিয়েছেন মমতা(Mamata Banarjee)। পাশাপাশি কলকাতা বন্দরের তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিমের বাড়িতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হানা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, যে যা ইচ্ছা তাই করছে এখানে নিয়ম মেনে ভোট করাচ্ছে না ইসি। পোস্টার ছিঁড়ে দেওয়া হচ্ছে।
নিজেদের ইচ্ছেমতো ভোট করাচ্ছে।মমতার কথায়, ‘‘ববির স্ত্রী ছিল। মাঝরাতে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে। মহিলারা আতঙ্কিত! আজ বুথে বুথে ঘুরব। ৭১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম বসুর বাড়িতে রাত দেড়টায় তল্লাশি চালায়। স্ত্রীকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়। এভাবে ওরা ভোট করবে। আমি প্রার্থী হিসেবে সব দেখতে বেরিয়েছি। এখানে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও প্রশ্ন নেই।’’

ভবানীপুরে ভোট পরিদর্শনে বেরিয়ে চেতলার পর চক্রবেড়িয়াতে গেলেন তৃণমূল প্রার্থী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথের বাইরে কর্মীদের বসার জায়গায় বসে আছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কর্মীদের থেকে নিলেন ভোটের খোঁজ খবর।

আজ বেলা তিনটের সময় তৃণমূল সুপ্রিমোর ভোট দেওয়ার কথা। তার আগে নিজের কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথে যাবেন তিনি। প্রতিপক্ষ শুভেন্দু অধিকারীও ভবানীপুরের বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।খিদিরপুরে যান তিনি। এদিকে ভোটগ্রহণ শুরুর পরই বাংলার মানুষের জন্য টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সাতটায়। বিক্ষিপ্ত অশান্তি হয়েছে প্রথম এক ঘণ্টায়, কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্রের এক বুথের বাইরে অতিরিক্ত মানুষের জমায়েত দেখে ক্ষুব্ধ পুলিশ। লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে গেলেন পুলিশ কর্মীরা, এখানে একটি বুথে মেশিন খারাপ হওয়ায় পরে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। অশান্তি ভাঙড়েও। একাধিক জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর মিলেছে।

সাত সকালেই ভোট দেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। করিমপুর গার্লস হাইস্কুলের ১২০ নম্বর বুথে ভোটদান করেন তিনি। অভিযোগ করেন,‘‘কমিশন বাইক নিষিদ্ধ করেছে। আমি নিজে বাইক চালাতে পারি না। কাউকে নিয়ে আসতে হত। নির্বাচন কমিশন একাধিক বিধিনিষেধ করেছে। তাই টোটো চেপে এসেছি।’’

ভোট দিলেন বামনেতা সুজন চক্রবর্তী। ভোটদানের আগে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের ক্যাম্পে গিয়ে গল্প করেন। প্রাক্তন বিধায়ক জানান, অবাধ এবং শান্তিপুর্ণ ভোট হোক, এটাই দাবি এবং চাওয়া।
পানিহাটিতে ভোট দিলেন বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ, সোনারপুর দক্ষিণে ভোট দিলেন বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, ভাটপাড়ায় ভোট দেন অর্জুন সিং।
–
–
–
–
–
