বিভিন্ন গদি মিডিয়ার (Media) এক্সিট পোলে (Exit Poll) বিজেপিকে (BJP) এগিয়ে রাখার প্রবণতায় অশান্তি সৃষ্টি করছে। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের। শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ হলেও ভোট দান শেষ হতেই মাথাচাড়া দিল বিজেপির গুন্ডামি। ভোট মিটতেই হঠাৎ বেহালার (Behala) ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর রামকৃষ্ণ পল্লিতে হামলার ঘটনা ঘিরে চরম উত্তেজনা ছড়ায়। ভোটে হার যে একপ্রকার নিশ্চিত, তা বুঝেই বিজেপি অশান্তির পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল নেতা অঞ্জন দাস (Anjan Das)-সহ কয়েকজনের উপর হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তাল হয়ে ওঠে বেহালা।

বুধবার রাতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে কয়েকজন কর্মী সমর্থক বসে থাকাকালীন হঠাৎই একদল দুষ্কৃতী ইট, বাঁশ এবং লাঠি নিয়ে চড়াও হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে যান ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর (Councilor) অঞ্জন দাস। তাঁকেও মারধর করা হয়। মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। কারও হাত ভেঙেছে, কারও মাথা ফেটেছে, কারোর মুখে আঘাত লেগেছে। সবাইকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা অশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার খবর পেয়েই এলাকায় পৌঁছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বেহালা পশ্চিমের প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায় (Ratna Chatterjee)। তিনি স্পষ্ট বলেন, সারাদিন মানুষ শান্তিতে ভোট দিয়েছে, কিন্তু ফল বুঝতে পেরেই বিজেপি হিংসার পথ বেছে নিয়েছে। মানুষের রায়কে সম্মান না করে ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করছে তারা। তাঁর কথায়, যারা ভোটে জিততে পারে না, তারাই রাস্তায় নেমে লাঠি আর ইটকে ভরসা করে। বাংলার মানুষ এখন এসব বুঝে গিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই গোটা এলাকা থমথমে। বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং র্যা ফ মোতায়েন করা হয়েছে।

–

–

–

–

–
