হাতে ২৪ ঘণ্টাও নেই। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে বিজেপির যাবতীয় পরিকল্পনা যে ব্যর্থ হতে চলেছে, তা এবার গণনা কেন্দ্র নিয়ে বিজেপির অপচেষ্টার নজিরেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কলকাতা শহর থেকে একের পর এক জেলায় স্ট্রং রুমে (strong room) লোক ঢুকিয়ে ফলাফল প্রভাবিত করার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে। হাওড়া (Howrah) ও পূর্ব বর্ধমানে (East Burdwan) স্ট্রং রুমে বেনিয়মের ঘটনায় সরব স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

শনিবার বারাসতের গভর্নমেন্ট কলেজে সিসিটিভি বন্ধ থাকার অভিযোগ ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। এরপরেও যে নির্বাচন কমিশন এতটুকু সতর্ক হয়নি, তার প্রমাণ পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র। সেখানে কয়েক মিনিট নয়, টানা প্রায় দেড় ঘণ্টা নির্বাচন কমিশনেরই (ECI) বসানো সিসিটিভি বন্ধ (CCTV stopped) থাকার অভিযোগ করলেন তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্ট ও স্ট্রং রুমের দায়িত্বে থাকা দলীয় কর্মীরা। রবিবার নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার আগের দিন সকাল ৯.২৪ থেকে ১০.৩৭ পর্যন্ত ওয়েবকাস্টিংয়ে কোনও ছবি দেখা যায়নি বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন : ভোটের ফলপ্রকাশের আগেই পান্ডুয়ায় ‘বুলডোজ়ার’ রেলের, ঘরছাড়া বহু

অন্যদিকে স্ট্রং রুমে বহিরাগত প্রবেশের অভিযোগ ঘিরে রবিবার উত্তপ্ত হয় হাওড়ার বিবেকানন্দ ইনস্টিউট। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়, যে ঘরে বন্ধ রয়েছে বিধানসভার ইভিএম (EVM), সেই ঘরেই লোক ঢুকিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ECI)। কমিশনেরই ওয়েব কাস্টিংয়ের টিভিতে দেখা গিয়েছে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিকে ঢুকতে। সেই ছবি তুলে অভিযোগ করেন জগদবল্লভপুরের তৃণমূল প্রার্থী সুবীর চট্টোপাধ্যায়। কলেজে নির্মাণ কাজ চলছে বলে নির্মাণ শ্রমিকদের ভিতরে ঢোকানো হয় বলে দাবি করেন কমিশনের আধিকারিকরা। যে নিরাপত্তা বেষ্টনীর দাবি নির্বাচন কমিশন করছে, দিকে দিকে তার ফাঁক দিয়েই যেভাবে নির্বাচন কমিশন কারচুপি করার চেষ্টা চালাচ্ছে, তা এইসব ঘটনায় প্রমাণিত।

–

–

–

–
–
–
