২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা পর থেকে বাংলার একের পর এক বিরোধী পার্টি অফিসে হামলার ঘটনা ফের একবার বিজেপির প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের পরিচয় দিয়েছে। তবে বিজেপির নজরে যে বাংলার সংস্কৃতির উপর আঘাত করা তার নজির রাখল বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি (ABVP)। বাংলার নির্বাচনের ফলাফল (assembly election result) প্রকাশিত হওয়ার পর প্রথম যে সাংবাদিক বৈঠক করে এবিভিপি সেখানে বাংলার ছাত্র সংগঠনের ঘর বদলে দেওয়ার কথা স্পষ্ট করে দিলেন এবিভিপি রাজ্য সম্পাদক নীলকন্ঠ ভট্টাচার্য।

বাংলায় নির্বাচনী প্রচারে এসে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে (Jadavpur University) ভাষণে আক্রমণ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তিনি বাংলার ক্ষমতায় আসার পর সেই যাদবপুরে যে আঘাত আনবেন, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত ভাষণেই ছিল। এবার তাঁদের ছাত্র সংগঠনের মুখে যাদবপুরের বামপন্থী ও বাম মনোভাবাপন্ন ছাত্র সংগঠনগুলির আদর্শে আঘাতের স্পষ্ট বার্তা।
আরও পড়ুন : ভোট মিটতেই নানুরে খুন তৃণমূল কর্মী: অশান্তিতে খুন বিজেপি কর্মীও!

বিজেপি বাংলার ক্ষমতায় প্রথমবার আসার পর সাংবাদিক বৈঠক করে এবিভিপি। সেখানে তারা জেন-জি-র মধ্যে নিজেদের সংগঠন বাড়ানোর বার্তা দেয়। সেই সঙ্গে স্পষ্ট জানায়, ক্যাম্পাসের ইউনিয়ন ঘরগুলিতে স্বামী বিবেকানন্দ, দেবী সরস্বতী, ভারত মাতার ছবি রাখতে হবে। আগে এদের ছবি থাকবে, তার পরে কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবি রাখা হবে। বাংলার মনীষীদের ছবি রাখা যেতে পারে। কিন্তু চে (Che Guevara), লেনিন (Vladimir Lenin) ভারতের কেউ নয়। তাই পশ্চিমবঙ্গের কলেজের ক্যাম্পাসে তাদের ছবি থাকবে না।

