দুর্নীতিতে তাঁর সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিচ্ছে- নির্বাচনী প্রচারপর্বে এই আশ্বাস দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Subhendu Adhikari)। ক্ষমতায় এসেই দুর্নীতি রোধে কড়া পদক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার, বিধায়ক পদে শপথ নিয়েই নবান্নে (Nabanna) গিয়ে বৈঠক করেন শুভেন্দু। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সিবিআই-এর চারটি মামলা গত চার বছর ধরে রাজ্য সরকার আটকে রেখেছিল। যে সমস্ত আধিকারিকেরা দুর্নীতিগ্রস্ত, সিবিআই বা আদালত নিযুক্ত যে কোনও তদন্তকারী সংস্থাকে তাঁদের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য বা তাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়ার জন্য আইন অনুযায়ী রাজ্য সরকারের অনুমতি নিতে হয়। দুর্নীতিগ্রস্ত আমলা ও আধিকারিকদের বাঁচানোর জন্য পূর্বতন সরকার এই অনুমতি আটকে রেখেছিল। তিনটি দফতরের দুর্নীতিগ্রস্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন আমরা সিবিআই-কে দিয়ে দিলাম। ছাড়়পত্রের কপি সিবিআই পেয়ে গিয়েছে।“
শুভেন্দুর (Subhendu Adhikari) কথায়, “আমাদের এই সরকার অনেক প্রত্যাশা জাগিয়ে এসেছে। দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিচ্ছি। প্রচারের সময়ও বার বার তা বলেছিলাম। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপের কথা আমাদের দলের ইস্তাহারেও ছিল। আগামী দিনে সে বিষয়ে আরও পদক্ষেপ দেখতে পাবেন রাজ্যের মানুষ। কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি।“

এর আগে রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে সিবিআই (CBI) বা অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থাকে চার্জশিট দিতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কিছু কাজ গত সরকার আটকে রেখেছিল। যে আধিকারিকেরা দুর্নীতিগ্রস্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য সিবিআই বা অন্যান্য আদালত নিযুক্ত তদন্তকারী সংস্থাকে অনুমতি নিতে হত। এই অনুমোদন আমরা দিয়ে দিলাম।“
আরও খবর: মোহনবাগান মানেই টুটু বোস: প্রয়াত প্রাক্তন সভাপতিকে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়ে পরিবারকে সমবেদনা মুখ্যমন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রী জানান, শিক্ষা দফতরের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি, পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি এবং সমবায় দফতরের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশে যে সমস্ত তদন্ত হচ্ছে, তাতে যুক্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

–

–

–

–
–
–
