বঙ্গভবনে হঠাৎ দেখা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari) ও উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA) ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Bandyopadhyay)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-সহ বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের জন্য রাজধানীতে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে কাজ নিয়ে দিল্লিতে রয়েছেন তৃণমূল বিধায়কও। শুক্রবার, বঙ্গভবনে মুখোমুখি দেখা হয় দুজনের। সৌজন্য বিনিময়ও করতে দেখা যায় তাঁদের। কী কথা হল?
বঙ্গভবনে শুভেন্দু-ঋতব্রত সাক্ষাৎ নিয়ে বঙ্গে জলঘোলা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে রাজ্যে পালাবদলের পরে যখন অনেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কী কথা বললেন ঋতব্রত? আরও পড়ুন: ‘সবার জন্য রেশন’ নীতিতে ইতি! ‘স্বচ্ছল ‘উপভোক্তাদের কার্ড ফেরত দেওয়ার আবেদন খাদ্যমন্ত্রীর

দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ ঋতব্রত সাফ জানান, “প্রাক্তন সাংসদ হিসেবে বাংলো ছাড়তে এবং ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট জমা-সহ বিভিন্ন কাজে আমি দিল্লিতে আছি। আমার এখানে রান্নার কোনও ব্যবস্থা নেই। তাই দুপুরের খাবার খেতে বঙ্গ ভবনে গিয়েছিলাম। আমি নামছিলাম তখন। হঠাৎ শুনি কেউ একজন বলছেন, ‘কী এমএলএ সাহেব বঙ্গভবনে উঠেছেন!‘ তাকিয়ে দেখি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। উনি আমাকে নমস্কার করেন। আমিও প্রতিনমস্কার করি। তারপর আমি বলি ‘না দাদা, আমি আমার বাংলোটা ছেড়ে দিতে এসেছি।‘ উনি আমাকে বলেন, ‘আমি তো সব বিরোধী বিধায়কদের মিটিংয়ে ডাকছি। মিটিংয়ে আসবেন।‘ আমি বলি খবর পেলে আসব। এই ৪০ সেকেন্ডে নিয়েই এখন চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।“

এর পরেই ঋতব্রতর মন্তব্য, “অনেকে মিডিয়াতেই দেখছি বলা হচ্ছে, আমি নাকি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে গোপন বৈঠক করতে দিল্লিতে এসেছি। দিল্লিতে কেন এসেছিলাম পার্লামেন্টে তার রেকর্ড আছে। করিডোরে দাঁড়িয়ে ৪০ সেকেন্ডের কথোপকথনকে কেউ যদি গোপন বৈঠক বলেন, তা নিয়ে আমার কিছু বলার নেই।” নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ঋতব্রত জানান, ”আমি চেয়ারকে সম্মান করি। সেই হিসেবেই মুখ্যমন্ত্রীর মুখোমুখি হয়েছি বলেই সৌজন্য বিনিময় করি। ব্যক্তি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আমার রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা। কিন্তু চেয়ারকে সম্মান করি।”

তাহলে কি মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে ডাকলে যাবেন? ঋতব্রত স্পষ্ট জানান, সেটা তাঁর দল এবং দলনেত্রী যা নির্দেশ দেবেন সেই মতো চলবেন।

–

–

–
–
–
