ফের নির্বাচনে পাখির চোখ ‘প্রার্থী’ আজহারের

2009 সালে কংগ্রেসের টিকিটে মোরাদাবাদ থেকে বিজয়ী হয়ে সংসদে পা রেখেছিলেন প্রাক্তন জাতীয় অধিনায়ক। আর 2011-তে বাংলায় পরিবর্তনের নির্বাচনের আগে প্রচারে এসে ঝড় তুলেছিলেন ওই একটা কথায়। বলেছিলেন, “আমি 99টা টেস্ট খেলেছি দেশের হয়ে। অনেক অনেক আক্ষেপ রয়েছে আর একটামাত্র টেস্ট না খেলার কারণে। তবে সব যন্ত্রণা মুছে যাবে যদি তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে ক্ষমতায় আসে।”

পরিবর্তন হয়েছিল বাংলায়। গত বছর ‘এখন বিশ্ব বাংলা সংবাদ’-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আজহার বলেই ফেলেছিলেন, “এখন আর সে সব কিছুই মনে রাখতে চাই না।” স্বাভাবিক। এখন আর কংগ্রেস-তৃণূমল কংগ্রেসের মধ্যে সুসম্পর্ক নেই। সে সময়কার সনিয়া-মমতার মাঝে যোজন দূরত্ব। আর মহম্মদ আজহারউদ্দিন রয়ে গিয়েছেন তেলেঙ্গানা প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির কার্যকরী সভাপতি হিসেবেই। ব্যাস, ওইটুকুই।

রাজনীতি থেকে নতুন করে আর বিশেষ কিছু পাওয়ার নেই ওঁর, তা ভালোই জানেন হায়দরাবাদের নবাব। তাই তো কংগ্রেস-রাজনীতি ওঁর জীবনে যেমন চলছে, চলুক। বছর খানেক হয়েছে, দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে ক্রিকেটের মূলস্রোতে ফিরেছেন প্রাক্তন জাতীয় অধিনায়ক। শুরু করেছেন ক্রিকেট ধারাভাষ্য। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডেও কর্তাকুলের সঙ্গে ধীরে ধীরে ‘সক্ষতা’ বাড়ছে আজহারের। এবার নবাব পাখির চোখ করেছেন আরও এক নির্বাচনে। হায়দরাবাদ ক্রিকেট সংস্থার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে বসলেন মিস্টার হ্যান্ডসাম। তাও যে সে পদে নয়, এক্কেবারে সভাপতি পদেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্য নিয়ে নমিনেশন জমা দিয়ে দিলেন তিনি। আগামী 27 সেপ্টেম্বর দক্ষিণ ভারতীয় এই ক্রিকেট সংস্থায় নির্বাচন।

এদিকে, HCA-র মতো দেশের একাধিক রাজ্য ক্রিকেট সংস্থাই চাইছে নির্ধারিত দিনে নির্বাচন সেরে ফেলতে। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত সিএবি-ও সেই একই পথেই হাঁটছে। 28 সেপ্টেম্বর নির্বাচন এখানে। সেই প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌরভ ব্রিগেডও।

আরও পড়ুন-মোহালিতে কোহলির ‘বিরাট’ ব্যাটিং ঝড়ে সহজ জয় ভারতের