শুধু লাদাখে নয়, নীরবে অরুণাচল সীমান্তেও শক্তি বাড়াচ্ছে চিন  

শুধুই লাদাখ নয়, চিনা কমিউনিস্ট পার্টির একনায়কতান্ত্রিক সরকার একইসঙ্গে নিশানা করেছে অরুণাচলকেও৷

সূত্রের খবর, বহুদিন ধরেই অরুণাচল সীমান্তেও অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করে চলেছে চিন৷ ওখানেও আস্তানা বানাতে চাইছে চিন। আর সেকারণেই অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত ঘেঁসে সবার অলক্ষ্যে একের পর এক অনুপ্রবেশ করে চলেছে লাল ফৌজ।

অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত লাগোয়া চিনের দিকে একের পর এক ছাউনি তৈরি করে চলেছে চিন৷ তিব্বতের নিঙ্গচি এলাকায় লালফৌজ নিজেদের সেনা ঘাঁটি মজবুত করছে। স্যাটেলাইট ছবিতে এ ধরনের বেশ কিছু ছবি উঠে এসেছে৷ সেই সব ছবি বিশ্লেষণ করে জানা গিয়েছে, ওখানে ছোট একটি বিমানবন্দর এবং একটি এয়ারস্ট্রিপ তৈরি করে ফেলেছে চিন সেনা।
ওই নিঙ্গচি এলাকায় ডোকলাম সংঘাতের সময়ই চিন একাধিক নির্মাণ করে৷ ব্রিটিশ আমলের আদলে ‘ক্রস শেপ’ করা একটি হেলিপোর্ট অরুণচল সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় রয়েছে । এতেই বোঝা গিয়েছে, ব্রিটিশ ভারতে যে সব এলাকা অরুণাচলের অংশ ছিল, তা দখলে নিয়েছে চিন। না হলে ওই ব্রিটিশ আমলের হেলিপোর্ট চিনের এলাকার মধ্যে থাকার কথা নয়। কারণ চিন কখনও ব্রিটিশ শাসনে ছিলো না৷ গত ২০০১ সালে অরুণাচল সীমান্তে নজরদারির জন্য নতুন নজরদারি টাওয়ার তৈরি করে চিন। এছাড়াও লাসা , নিংচি এক্সপ্রেসওয়ে তৈরির কাজ ২০১৮ সালে শেষ করে ফেলেছে। ফলে অরুণাচল সীমান্তের ওপারে চিনের সেনার যাতায়াতে দারুন সুবিধা হয়েছে৷ পাশাপাশি অরুণাচলকে নিশানা বানানোর ছক কষাও শুরু করেছে বেজিং। যেভাবে এতদিনে অরুণাচল প্রদেশ বরাবর চিন একের পর এক নির্মাণ কাজ শুরু করেছে, তাতে আশঙ্কা করা হচ্ছে, আগামী দিনে চিন ভারতের অরুণাচল সীমান্তেও বিশাল সংখ্যক সেনা মোতায়েন করতে চলেছে। সামরিক স্তরে এমন আশঙ্কার রিপোর্টই পেশ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷