দু’বার রিপোর্ট নেগেটিভ, করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু চিকিৎসকের

একবার নয়, দুবার হয়েছিল টেস্ট। দুটো রিপোর্টে আসে করোনা নেগেটিভ। তার পরেও এই করোনাতেই প্রাণ হারালেন 26 বছর বয়সী চিকিৎসক।

জানা গিয়েছে, মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগে বুকে ব্যথা অনুভব করেন ডক্টর অভিষেক ভায়ানা। এই কথা নিজের বড় ভাই আমনকে বলেন তিনি। আমনকে তিনি বলেন, “আমার বুকে ব্যথা হচ্ছে। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। আমার সব উপসর্গ করোনাভাইরাসের। আমি ১০০ শতাংশ করোনায় আক্রান্ত হয়েছি।”

দিল্লিতে মৌলানা আজাদ ইনস্টিটিউট ফর ডেন্টাল সায়েন্সেসের ওরাল সার্জারি বিভাগে কর্মরত ছিলেন ডক্টর অভিষেক। জুন মাসে এইমসের মেডিক্যাল পরীক্ষায় ২১ র‍্যাঙ্ক করেন অভিষেক। তারপর হরিয়ানার রোহতকে কাউন্সেলিংয়ে যান তিনি। সেখান থেকে ফিরে এসে মৌলানা আজাদ ইনস্টিটিউটে জুনিয়র ডাক্তার হিসেবে যোগ দেন তিনি।
কলেজের এক সিনিয়র চিকিৎসক জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে ওই যুবকের বাড়ির লোকেরা তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন।

অভিষেকের ভাই আমন জানিয়েছেন, “বৃহস্পতিবার সকালে শরীর খারাপ হতে থাকে অভিষেকের। তার আগে অভিষেক ভালোই ছিল। আমরা এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না অভিষেক বেঁচে নেই। বাবা-মা খুব কষ্ট পেয়েছেন।”
পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, অভিষেকের শরীরে প্রথম ১০ দিন আগে উপসর্গ ধরা পড়ে। বারবার গলা ব্যথা, কাশির কথা অভিষেক বলছিল। পরিবারের মনে হয়েছিল ভাইরাল জ্বর হয়েছে অভিষেকের। তাই তাঁকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। একজন চেস্ট স্পেশ্যালিস্টকে দেখিয়ে বুকের এক্স-রে করেও দেখা হয় অভিষেকের। তাতে দেখা যায় বুকে সংক্রমণ হয়েছে তাঁর। কিন্তু বারবার অভিষেক বলছিলেন, তাঁর উপসর্গ বুকে সংক্রমণের নয়, তাঁর উপসর্গ করোনাভাইরাসের সংক্রমণের।
বৃহস্পতিবার থেকে অবস্থা খারাপ হতে শুরু করে অভিষেকের।এর পরই তাঁর মৃত্যু হয়।