বলেন কি উদয়ন গুহ? কাটমানি খাওয়া নেতাদের মেরে চামড়া গুটিয়ে দেবে জনগণ!

ভার্চুয়াল মেগা বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, বিধায়ককে তাদের এলাকা থেকে জিতে আসতে হবে। এই ঘটনার ৭২ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই দলের এক বিধায়ক জানিয়ে দিলেন তিনি আর নির্বাচনে দাঁড়াবেন না। প্রাক্তন ফরওয়ার্ড ব্লক নেতা এবং প্রয়াত কমল গুহ পুত্র উদয়ন সাফ জানিয়ে দিলেন, একুশের ভোটের লড়ছি না। বিরোধী গোষ্ঠীর নেতাদের বললেন, দিনহাটায় কাকে প্রার্থী করা হবে সিদ্ধান্ত নিন। যদিও উদয়ন বলেছেন, দলের মধ্যে যা বলার বলেছি। বাইরে কোনও কথা নয়।

কোচবিহারের নেতাদের নিয়ে এমনিতেই ক্ষুব্ধ দলের সুপ্রিমো। গোষ্ঠী কোন্দল কোচবিহারে লেগেই রয়েছে। বহুবার নেত্রী লাস্ট ওয়ার্নিং দিয়েছেন। একদিকে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ অন্যদিকে দলের কার্যকরী জেলা সভাপতি তথা প্রাক্তন সাংসদ পার্থ প্রতিম রায় এবং অন্যদিকে উদয়ন গুহ। শোনা যাচ্ছে দলের মধ্যে নাকি উদয়ন সরব হয়েছেন নেতাদের কাট মানি খাওয়া নিয়ে। যে ভাষায় তিনি পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করেছেন তা শাসক দলের পক্ষে অস্বস্তিকর এবং বিস্ফোরক। উদয়ন বলেছেন, তৃণমূল ক্ষমতায় না থাকলে চাকরি দেওয়ার নাম করে কিংবা বাড়ি করে দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা যারা কাটমানি তুলেছে সেসব নেতারা আর বাড়িতে থাকতে পারবে না। যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন, তার আগেই কাটমানি খাওয়া নেতাদের কর্মীদের মেরে চামড়া গুটিয়ে দেবেন। ভার্চুয়াল বৈঠকে নেত্রী পার্থপ্রতিমকে সোজা বলেছিলেন, তোমাকে যেখানে কাজ করতে বলা হয়েছে, সেখানে কাজ করো। অন্য জায়গায় গিয়ে নেতাগিরি ফলাতে হবে না। তবুও নেত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে সোমবার নাটাবাড়ি বিধানসভায় মিছিল করেন পার্থ। যে রিপোর্ট গিয়েছে কালীঘাটেও। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা বিধায়ক মিহির গোস্বামী বলেন, অনেকে মানছেন না দলের নির্দেশ। এর পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে। বিজেপি বলছে ঊনিশের লোকসভার ভোটে তৃণমূলের দফারফা হয়েছে। একুশে গিয়ে আর ওদের খুঁজে পাওয়া যাবে না।