যুবকের আঁকা স্কেচের সাহায্যে নিষ্পত্তি ঘটনার, সাজাপ্রাপ্ত ২

কোমা থেকে সুস্থ হয়ে উঠে পুলিশকে দুই বন্ধুর নাম জানিয়েছিলেন। এবার কলকাতার বাসিন্দা সৌভিক চট্টোপাধ্যায় সেই ঘটনার ছবি এঁকে দেখালেন। আর সেই ছবির সূত্র ধরে সৌভিকের দুই বন্ধুকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

ঘটনা কী? ২০১০ সালে কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরুতে একটি বাড়ির তিনতলায় একসঙ্গে থাকতেন সৌভিক চট্টোপাধ্যায়, অসমের বাসিন্দা শশাঙ্ক দাস এবং ওড়িশার বাসিন্দা জিতেন্দ্র প্রসাদ। সৌভিকের সঙ্গে এক যুবতীর ঘনিষ্ঠতা হয়। যাঁকে পছন্দ করতেন শশাঙ্কও। কিন্তু বন্ধুর সঙ্গে ওই যুবতীর ঘনিষ্ঠতা মেনে নিতে পারেননি শশাঙ্ক। অভিযোগ সেই রাগেই তিনতলার ছাদ থেকে সৌভিককে ধাক্কা মেরে ফেলে দেন শশাঙ্ক এবং জিতেন্দ্র। আঘাত এতটাই বেশি ছিল যে কোমায় চলে যান সৌভিক। ২০১১ সালে সেরে উঠে পুলিশকে দুই বন্ধুর নামও জানান। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। কিন্তু প্রমাণের অভাবে ২০১২ সালে জামিন পেয়ে যান ওই দুজন।

এবার ২০১০ সালের ওই ঘটনার স্কেচ এঁকে পুলিশকে দেখিয়েছেন সৌভিক। সেটাই ওই ঘটনার সাক্ষ্যপ্রমাণ হিসেবে ধরেছে পুলিশ। দুই অভিযুক্তকেই এবার বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আদালতে দীর্ঘ শুনানিও হয়।শশাঙ্ক দাস এবং জিতেন্দ্র প্রসাদের ৭ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে।

আরও পড়ুন:দক্ষিণ দিনাজপুরের তিন বিতর্কিত নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করল তৃণমূল