‘বিরোধীশূন্য’ মন্তব্য নিয়ে বিজেপির তোপ, পালটা তৃণমূলের কংগ্রেসমুক্ত ভারত প্রসঙ্গ

সামনেই বিধানসভা ভোট, তার মধ্যেই রাজ্যে প্রচারে নেমেছে সব পক্ষই। ভাঙড়ের ভোগালি ২ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান তথা তৃণমূল নেতা মুদাস্সর হোসেন সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, ‘এবার বিরোধীশূন্য খেলা হবে। যত আধাসামরিক দেবে, দিক। শুধু ভোট করাবে তৃণমূল। তৃণমূলের লোক ছাড়া কেউ ভোট দিতে যেতে পারবে না। যারা তৃণমূলকে ভোট দেবে না, ঘরে শুয়ে থাকবে।’ শনিবার সেখানে তৃণমূল নেতা তথা ভাঙড়ের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলামের উপস্থিতিতেই এই হুঁশিয়ারি দেন মুদাস্সর হোসেন। পঞ্চায়েত প্রধান জানান, সিপিআইএম, বিজেপি এবং কংগ্রেসও খেলতে পারেন। কিন্তু তৃণমূলের ‘খেলা’ আলাদা হবে। সেই ‘খেলা’ হবে বিরোধীশূন্য।

তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের ওই বিতর্কিত মন্তব্যের সমালোচনায় সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার জানান, “তৃণমূলের শীর্ষস্তর থেকে নির্দেশের প্রতিফলন ঘটছে তাদের নিচের সারির নেতাদের কথায়। ভেতরে ভেতরে তৃণমূল নির্দেশ দিচ্ছে, যাতে মানুষ ভোট দিতে না পারে। তৃণমূল যাতে ভোট লুঠ করতে পারে। ভোট লুঠ ছক এভাবেই তৈরি করছে তৃণমূল। ”

আরও পড়ুন-তৃণমূলের উপ মুখ্যমন্ত্রী আব্বাস সিদ্দিকি! একী বলছেন কৈলাস

অন্যদিকে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, “দুই শাসক দল মিলিয়ে খেলা হবে। খেলা হবে করে সবকিছু গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিজেপি ও তৃণমূল উভয় দলকেই মনে রাখতে হবে যে, রাজনীতি দায়বদ্ধতার বিষয়।”

Advt

অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “এক্ষেত্রে একটু সংযত হল ভালো হত। আমরা সাধারণভাবে বলে থাকি ১০০ শতাংশ ভোট যেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল পায়, তৃণমূল কংগ্রেস পায়। নরেন্দ্র মোদি যদি বলেন কংগ্রেস শূন্য ভারত গড়ব সেটা যদি ‘প্রেমের বার্তা’ হয় তাহলে এটার মধ্যে আমি কোনও দোষ দেখছিনা। তবে হ্যাঁ কিছু শব্দের ক্ষেত্রে তাঁর সংযত থাকা উচিত ছিল।”