দিল্লির ওপরে দখলদারি বাড়াতে চায় কেন্দ্র, সম্মতি রাষ্ট্রপতির

দিল্লির (Delhi government)ওপর দখলদারি আরও বাড়াতে চায় কেন্দ্র(central government)। গত ২২ মার্চ লোকসভায় (parliament of India)এই বিল পাশ হয়। তার পর গত ২৪ মার্চ রাজ্যসভায় বিরোধীদের ওয়াক আউটের মধ্যেই পাশ করিয়ে নেওয়া হয় GNCTD বিল। এই বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীরা কেন্দ্রের মোদি সরকারের স্বৈরাচারী মনোভাবের সমালোচনা করেছে। কিন্তু এ বার সেই ‘গভর্নমেন্ট অব ন্যাশনাল ক্যাপিটাল টেরিটরি অফ দিল্লি’ (GNCTD) সংশোধনী বিলে অনুমোদন দিয়ে দিলেন স্বয়ং রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ (president Ram Nath Kovind)। এই বিলে দিল্লির নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতা হ্রাস করা হয়েছে। অন্যদিকে বাড়ানো হয়েছে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের (lieutenant governor) ক্ষমতা।

রাষ্ট্রপতি এখন খুবই অসুস্থ। বুকে ব্যথা নিয়ে দিল্লি এইমসে ভর্তি আছেন তিনি। আগামী ৩০ মার্চ তাঁর বাইপাস সার্জারি হওয়ার কথা। এর মধ্যেই এই বিতর্কিত বিলটিতে তাঁর অনুমোদন দেওয়া রাজধানীতে যারপরনাই জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিন কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাষ্ট্রপতির এই অনুমোদনের কথা জানানো হয়েছে।

কী আছে এই বিলটিতে? এই বিলের মাধ্যমে দিল্লি সরকারের প্রতি পদক্ষেপের উপরেই নজরদারি বাড়াতে চাইছে কেন্দ্র। এর ফলে দিল্লিতে যে কোনও আইন পাশের আগেই কেজরিয়াল সরকারকে লেফটেন্যান্ট গভর্নরের মত নিতে হবে। ২০১৮ সালে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছিল, পুলিশ, জন -নির্দেশিকা ও জমি ছাড়া অন্যা কোনো ক্ষেত্রেই লেফটেন্যান্ট গভর্নরের সম্মতি প্রয়োজন নেই। তখন বেঞ্চ জানিয়েছিল, দিল্লির লেফট্যানেন্ট গভর্নর কোনও রাজ্যের রাজ্যপালের মতো নয়। তিনি একজন প্রশাসক। তাঁর ক্ষমতা সীমাবদ্ধ। কেন্দ্রের এই নতুন বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পেয়ে যাওয়ায় সেই লেফটেন্যান্ট গভর্নরের ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেওয়া হলো কয়েক গুণ।

Advt