Mamata Bandopadhyay: ঘোড়ার পালকে রাজ্য শাসনে পাঠিয়েছে: নাম না করে ধনকড়কে তীব্র কটাক্ষ মমতার

মাউন্টেড পুলিশও জানতে পেরে গেল, ঘোড়ার পাল। ২৬ জানুয়ারির ঘটনার উল্লেখ করে তীক্ষ্ণ খোঁচা মমতার।

ঘোড়ার পালকে রাজ্য শাসনে পাঠিয়েছে- বুধবার, নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সাংগঠনিক নির্বাচনের মঞ্চ থেকে নাম না করে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে (Jagdeep Dhankhar) তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের (TMC) চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bandopadhyay)। মমতা বলেন, “এখানে দিয়েছে একটা ঘোড়ার পাল। একদল ঘোড়ার পাল, রাজ্য শাসন করতে পাঠিয়েছেন। এটা আমার মনে হল, ২৬ জানুয়ারি আমি মাউন্টেড পুলিশের একটা ঘোড়াকে দেখছিলাম। মাউন্টেড পুলিশও জানতে পেরে গেল, ঘোড়ার পাল।” এরপরই তোপ দাগেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেন, “সকাল নেই, সন্ধে নেই সবসময় আমাকে গালাগাল করছে। আবার আমাকেই ট্যুইট করছে।” সেই কারণে সম্প্রতি রাজ্যপালকে টুইটারে ব্লক করে দিয়েছেন মমতা। এদিন তিনি বলেন, “ঘরে বসে দূরবীন দিয়ে বাংলায় উনি শুধু খুন, হিংসা দেখছেন। দিল্লি, উত্তরপ্রদেশে কী হয়েছে দেখেছেন? গুজরাতে কী হচ্ছে দেখেছেন?”

দায়িত্ব নিয়ে আসার পর থেকেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত রাজ্যপালের। সম্প্রতি ধারাবাহিক টানাপোড়েন তাতে নতুন মাত্রা দিয়েছে। আগেই মা ক্যান্টিন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ধনকড়। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলে মমতা বলেন, “মা ক্যান্টিনের টাকার কৈফিয়ত দিতে হবে বলছে। গরীব মানুষ ৫ টাকায় খেতে পাচ্ছে। তা নিয়েও প্রশ্ন হচ্ছে। আর খালি বলছে দেখ লেঙ্গে। তুমি কে ভাই?‌ একবারও তো কাউন্সিলর হওনি। দশবার দলবদল করেছ, দলবদলু। বলছে, আমার নির্দেশ মানতে হবে। কাউন্সিলরও তো কখনও হতে পারোনি, শুধু বড় বড় কথা।” সাংবিধানিক সীমারেখার কথা মনে করিয়ে মমতা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর অনুমতি ছাড়া কোনও কাজ করা যায় না। কিন্তু, যখন তখন মুখ্যসচিবকে ডাকছেন।”

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে ধনকড়কে সরানো নিয়ে একাধিকবার দিল্লিকে চিঠি পাঠিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলতি সংসদের অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে ধনকড়ের অপসারণ চেয়ে আর্জি জানায় তৃণমূল। এরপর এদিন নাম না করে রাজ্যপালকে তীব্র খোঁচা দিলেন মমতা।

 

 

Previous articleschool reopening : আগামিকাল থেকে স্কুল খুলছে রাজ্যে