রাজ্যে মুসলমানদের চিহ্নিত করতে নতুন পরিচয়পত্রের সিদ্ধান্ত অসম সরকারের

বলা হচ্ছে,সম্প্রদায়ের স্বার্থে এই প্রস্তাব আনা হয়েছে নাকি, মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে ।

মুসলমানদের(Muslim) আলাদা গোষ্ঠী হিসাবে চিহ্নিত করতে একটি নতুন পরিচয়পত্র দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে এসেছে অসম সরকার (Assam Government)গঠিত একটি প্যানেল । এ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে । বলা হচ্ছে,সম্প্রদায়ের স্বার্থে এই প্রস্তাব আনা হয়েছে নাকি, মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে । গত সপ্তাহে, একটি প্যানেল মুসলিম সম্প্রদায়কে চিহ্নিত করার জন্য পরিচয়পত্র বা শংসাপত্র এবং বিজ্ঞপ্তি প্রদানের সুপারিশ করেছিল। বাংলাদেশ (Bangladesh)থেকে আসা বাংলাভাষী মুসলমানদের এই প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

অসমের আদি মুসলিমরা চারটি প্রধান দলে বিভক্ত। এই দলগুলি হল গোরিয়া এবং মোরিয়া (উচ্চ অসম থেকে), দেশি (নিম্ন অসম থেকে) এবং জুলহা মুসলিম (চা বাগান থেকে)। গত বছরের জুলাই মাসে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himant Biswasharma) বিভিন্ন অঞ্চলের অসমীয়া মুসলমানদের সাথে বৈঠক করার পর এই প্যানেলটি গঠন করা হয়েছিল। এই গোষ্ঠীর সাথে শর্মার সাক্ষাতের উদ্দেশ্য ছিল ‘সম্প্রদায়ের কল্যাণ’। বৈঠকে তিনি জোর দিয়েছিলেন যে অসমীয়া মুসলমানদের স্বতন্ত্রতা রক্ষা করা উচিত। সাতটি উপ-কমিটিতে বিভক্ত প্যানেলটি গত ২১ এপ্রিল তাদের প্রতিবেদন পেশ করে। প্যানেলটি শিক্ষা, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, স্বাস্থ্য, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়ন সম্পর্কিত বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছে। সুপারিশগুলি গ্রহণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে, এগুলো বাস্তবায়িত করা সম্ভব।

বলিউডের স্টারকিডসদের ন্যানিদের পারিশ্রমিক শুনে চোখ কপালে নেটিজেনদের

অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (AIUDF)এর বিধায়ক আমিনুল ইসলাম বলেছেন যে প্যানেলের (Political Pannel) প্রস্তাবটি একটি “রাজনৈতিক বক্তব্যের” অংশ। তাদের অভিযোগ, রাজ্য সরকার (State Government) মুসলমানদের মধ্যে বিভাজন আনতে চায়, তাই তারা এমন করছে। একই সঙ্গে তিনি এও প্রশ্ন তোলেন যে অসমীয়া ও বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে বহু বিবাহ হয়েছে। কিভাবে এই ধরনের পরিবার চিহ্নিত করা হবে?

Previous articleদলনেত্রী কড়া বার্তা পরে ফেসবুকে সরব মহুয়া, কী লিখলেন তৃণমূল সাংসদ?