গেরুয়া শিবিরের সঙ্কট: বেসুরো শিল্পী ঋদ্ধি, গণইস্তফা বারাসত সাংগঠনিক জেলায়

তাঁকে না জানিয়ে রাজ্য কমিটিতে নাম রাখায় ক্ষুব্ধ ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়।

ইদানীং বড়-মেজো-ছোট — বিজেপির (BJP) সব নেতারাই বিভিন্ন সময় দল বিরোধী মন্তব্য করছেন। কেউ কেউ আবার ক্ষুব্ধ রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বের উপরেই। এবার বেসুরো রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায় (Riddhi Bandopadhyay)। তাঁকে না জানিয়ে কেন নাম দেওয়া হয়েছে রাজ্য কমিটিতে? চিঠি লিখলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) থেকে শুরু করে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। এদিকে রবিবার গণইস্তফা দিলেন বিজেপি বারাসত সাংগঠনিক জেলার ১৫ জন সদস্য।

বাংলায় আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আর তার আগে আরও সংকটে রাজ্য বিজেপি। ‘বাগী’ অর্জুনকে দিল্লিতে ডেকে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করার মধ্যেই, বিখ্যাত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায় গোঁসা করলেন। তাঁর কোনও রকম অনুমতি ছাড়া কেন রাজ্য কমিটিতে নাম রাখা হয়েছে? ক্ষুব্ধ শিল্পী চিঠি পাঠিয়েছেন সুকান্ত মজুমদারকে। শুধু তাই নয়, দ্রুত তাঁর নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছেন তিনি। এমনকী, ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে জেপি নাড্ডাও ইমেল করে অভিযোগ জানিয়েছেন ঋদ্ধি।

এদিকে, বারাসতে বিজেপির সাংগঠনিক জেলায় ভাঙন। গণইস্তফা দিলেন ১৫ জন সদস্য। বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস মিত্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে ইস্তফাপত্র পাঠান তাঁরা। প্রতাপ চট্টোপাধ্যায়, চিত্ত বসাক, আশিস মজুমদার, নীলিমা দে সরকার, সুভাষচন্দ্র রায়, সজল দাস-সহ ১৫ জন সদস্য ইস্তফাপত্র দেন। এখানেও উঠেছে সেই বিজেপির ‘কামিনী-কাঞ্চন’-এর অভিযোগ। তাপস মিত্র ‘কামিনী-কাঞ্চন’-এর বিনিময়ে অযোগ্য লোকেদের পদ এবং পুরভোটের টিকিট দিয়েছেন বলে অভিযোগ জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধরা। আদি বিজেপির নেতাকর্মীদের দলীয় কর্মসূচি থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলেও ইস্তফাপত্র অভিযোগ জানানো হয়েছে। যদিও যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সেই তাপস মিত্র আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানেন না বলে দায় এড়িয়েছেন। তবে এসব ঘটনায় যে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব যথেষ্ট অস্বস্তিতে তা বলাই যায়।

আরও পড়ুন:ঈশ্বরকণা আবিষ্কারের ইতিহাসে নাম হাওড়ার শ্রমিকদের, মে দিবসে সম্বর্ধনা

Previous articleঈশ্বরকণা আবিষ্কারের ইতিহাসে নাম হাওড়ার শ্রমিকদের, মে দিবসে সম্বর্ধনা