অভিষেক আসার আগেই গেরুয়া সন্ত্রাস ত্রিপুরায়, আক্রান্ত তৃণমূল, নীরব দর্শক পুলিশ

ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল নেতৃত্ব-সহ আক্রান্ত হয়েছেন কুনাল ঘোষ নিজেও। বিজেপির সন্ত্রাসে ছাড় পাননি আগরতলা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পান্না দেব-সহ মহিলা কর্মী-সমর্থকরাও। তৃণমূলের অভিযোগ, সকাল থেকেই অশান্তি পাকাচ্ছে বিজেপি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পা রাখার চব্বিশ ঘণ্টা আগেই ধুন্ধুমার ত্রিপুরার আগরতলায়। পুরভোটের মতো উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে গেরুয়া সন্ত্রাস অব্যাহত। আগামিকাল, মঙ্গলবার বড়দোয়ালি ও আগরতলা কেন্দ্রে ঐতিহাসিক রোড-শো করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের আগমনে কার্যত ভয় পেয়ে বিজেপির হার্মাদরা দাপিয়ে বেড়ালো রাজধানী আগরতলা জুড়ে।

এদিন ৬, আগরতলা বিধানসভা উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী পান্না দেবের সমর্থনে একটি পথসভার আয়োজন করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। যেখানে ব্যাপক জমায়েত হয়েছিল। অন্যতম বক্তা ছিলেন তৃণমূলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। কিন্তু এই পথসভার ভণ্ডুল করতে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। পুলিশ থাকলেও তাঁরা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করলেন।

ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল নেতৃত্ব-সহ আক্রান্ত হয়েছেন কুণাল ঘোষ নিজেও। বিজেপির সন্ত্রাসে ছাড় পাননি আগরতলা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী পান্না দেব-সহ মহিলা কর্মী-সমর্থকরাও। তৃণমূলের অভিযোগ, সকাল থেকেই অশান্তি পাকাচ্ছে বিজেপি।

এ প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ বলেন, “সকাল থেকেই আমাদের প্রার্থী পান্না দেবের প্রচারে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ফ্ল্যাগ-ফেস্টুন-ব্যানার-পোস্টার তো ছেঁড়া হচ্ছে, একইসঙ্গে মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির মুষ্টিমেয় কিছু গুন্ডা আমাদের সভা চলাকালীন বারবার প্ররোচনামূলক স্লোগান দিচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে। অন্ধকার থেকে ইট ছুঁড়ছে। মহিলারাও আক্রান্ত। এটা কোনও সভ্য সমাজে হতে পারে না। বৈধ অনুমতি নিয়ে একটি রাজনৈতিক দল সভা করছে আর সেখানে হামলা চালানো হচ্ছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে থাকাকালীন এমন গুন্ডামি এবং ইটবৃষ্টি কী করে হতে পারে সেই প্রশ্ন আমরা তুলেছি, এখন দেখার প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়।” সবমিলিয়ে অভিষেক পা রাখার আগেই উত্তপ্ত ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা।

আরও পড়ুন- রাত পোহালেই ত্রিপুরায় ঐতিহাসিক রোড-শো অভিষেকের, উন্মাদনা তুঙ্গে

Previous article‘মিড-ডে মিল নিয়ে রাজ্যে নয়, দিল্লি গিয়ে বলুন’, বিরোধীদের কটাক্ষ ব্রাত্যর