হিমাচল প্রদেশের ৬৮ আসনে শেষ ভোটগ্রহণ! বিকেল ৫টা অবধি ভোটদানের হার ৬৬ শতাংশ

এদিন ধীর গতিতে ভোটের অভিযোগ তুলে কমিশনে চিঠি দিয়েছে কংগ্রেস। ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে পিডিপি প্রধান মেহবুবা মুফতির অভিযোগ, কমিশন এখন আর স্বাধীন নেই। বিজেপির একটি শাখায় পরিণত হয়েছে।

শেষ হল হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Election)। আগামী পাঁচ বছরের জন্য কোন রাজনৈতিক দলের দখলে থাকবে পাহাড়ের এই রাজ্য, তা ৮ ডিসেম্বর নির্ধারিত হবে। শনিবার মোট ৬৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে চলে ভোটগ্রহণ। সকাল আটটা থেকে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়, চলে বিকেল ৫টা অবধি। মোট ৫৫ লক্ষ ভোটার এদিন নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে মোট ৪১২জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা (Contests) করেছেন। এদিন বিকেল ৫টা অবধি ভোট পড়েছে ৬৬ শতাংশ।

হিমাচল প্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে এবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের জোর সম্ভাবনা। একদিকে রয়েছে শাসক দল বিজেপি (BJP), আগামী পাঁচ বছরও যাতে ক্ষমতা তাদের দখলেই থাকে, তার জন্য জোরকদমে প্রচার ও একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, বিজেপির অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসও (Congress) পুরনো ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার জন্য একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। হিমাচলে বিজেপির নতুন ও অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে উঠে এসেছে আম আদমি পার্টিও (AAP)। দিল্লি ও পঞ্জাব দখলের পর এবার তাদের লক্ষ্য হিমাচল প্রদেশ ও গুজরাটেও বিধানসভা নির্বাচনে জয়। এবারের নির্বাচনে তারকা প্রার্থীরা হলেন মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের ছেলে বিক্রমাদিত্য সিং ও বিজেপির প্রাক্তন প্রধান সতপাল সিং সাত্তি।

এদিন ধীর গতিতে ভোটের অভিযোগ (Complaints) তুলে কমিশনে চিঠি দিয়েছে কংগ্রেস। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে হিমাচলের তাশিগাং-এ। ৯৮.০৮ শতাংশ ভোট পড়েছে ওই কেন্দ্রে। তবে এদিন কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে হিমাচলে সরকার গঠন করবে বলেই আত্মবিশ্বাসী বিক্রমাদিত্য সিং। অন্যদিকে, ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে পিডিপি প্রধান মেহবুবা মুফতির (Mehbooba Mufti) অভিযোগ, কমিশন এখন আর স্বাধীন নেই। বিজেপির একটি শাখায় পরিণত হয়েছে। এটি সর্বদাই নীরব থাকে। হিমাচল প্রদেশের নির্বাচনেও নীরবতা পালন করে যাচ্ছে, বিজেপির ইঙ্গিতের অপেক্ষা করছে। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে হিমাচল প্রদেশ বিজেপির পক্ষেই, দাবি জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda) ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)।

Previous articleস্টোন অপারেশন করতে গিয়ে কিডনি গায়েব, যোগীরাজ্যে হাসপাতালের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ