পুরসভা দখলের ৭২ ঘন্টা পর কাউন্সিলর পদ খারিজ ঝালদার চেয়ারম্যানের

মাত্র ৭২ ঘন্টা কাটার পরই সেই শীলা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে এল তাঁর কাউন্সিলর পদ খারিজের নোটিশ। ওই নোটিশ পাঠালেন ঝালদার এসডিও

ঝালদা পুরসভায় (Jhalda Municipality) নাটকীয় পট পরিবর্তন। অনেক আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে সদ্য পুরবোর্ড গঠন করেছে কংগ্রেস (Congress)। সংখ্যা গরিষ্ঠ কাউন্সিলরের সমর্থন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন নির্দল থেকে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া শীলা চট্টোপাধ্যায় ( Shila Chatterjee)। কংগ্রেস (Congress) ভোটাভুটিতে ৭-০তে জেতে। কংগ্রেসের পক্ষে যায় ২ নির্দল কাউন্সিলরের ভোট। মাত্র ৭২ ঘন্টা কাটার পরই সেই শীলা চট্টোপাধ্যায়ের কাছে এল তাঁর কাউন্সিলর পদ খারিজের নোটিশ। ওই নোটিশ পাঠালেন ঝালদার এসডিও (SDO, Jhalda)।

নোটিশে বেশকিছু আইনি বিষয় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের এক কাউন্সিলর বেশকিছু টেকনিক্যাল কারণ দেখিয়ে শীলা চট্টোপাধ্যায়ের চেয়ারপার্সন হওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও পুর আইন অনুযায়ী কেউ যদি কাউন্সিলর নাও হন তাহলে তিনি ৬ মাস চেয়ারপার্সনের পদে থাকতে পারেন। তবে ওই সময়ের মধ্যেই তাঁকে জিতে আসতে হবে। তবে গোটা বিষয়টি এখন আইনি পথেই এগবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এনিয়ে তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, একজন এসডিও কোনও সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, সেটাকে বলা হচ্ছে বেআইনি সিদ্ধান্ত। পুরসভার একটা আইন রয়েছে। সেখানে কেউ যখন দলত্যাগ করেন তখন তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আইন রয়েছে। কোনও সরকারি আধিকারিক যখন কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছেন তখন তা তিনি ভেবেচিন্তেই নিয়েছেন।

Previous articleআইসিসি একদিনের ক্রিকেটে ব‍্যাটারদের র‍্যাঙ্কিং-এ বিরাট উন্নতি কোহলির