হলদিয়ার দুই গ্রাম ও নন্দীগ্রামের এক মহল্লার সব বাড়িতে একসাথে আলো জ্বলল

বহু বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেন কুণাল।এমনকী, গত পুরভোটে বিজেপির প্রার্থী জয়ন্তী মল্লিকের বাড়িতেও গেলেন কুণাল।জানতে চাইলেন, কেমন লাগছে।ঘরে আলো জ্বলায় সেই দিদিও রীতিমতো উচ্ছ্বসিত।

ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ চালু হল। সোমবার ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিনে  হলদিয়ার বিষ্ণুরামচক ও সৌতনচক গ্রামে বাড়ি বাড়ি বিদ্যুতের আলো জ্বলল। স্বাধীনতার পর এই প্রথম সেখানে বিদ্যুৎ এলো।এদিন এই উপলক্ষে গ্রামে ঘুরলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।বিদ্যুৎ আসায় গ্রাম জুড়ে উৎসবের পরিবেশ।

বহু বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নেন কুণাল।এমনকী, গত পুরভোটে বিজেপির প্রার্থী জোৎস্না মল্লিকের বাড়িতেও গেলেন কুণাল।জানতে চাইলেন, কেমন লাগছে।ঘরে আলো জ্বলায় সেই দিদিও রীতিমতো উচ্ছ্বসিত।

এদিন নন্দীগ্রামেও ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছল। প্রত্যন্ত নাকচিরাচকের একটি মহল্লা এতদিন বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত ছিল। আজ সেখানে বিদ্যুৎ এল। আলো জ্বলায় সন্ধের নন্দীগ্রাম জমজমাট। বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস শিলিগুড়ি থেকে ফোনে ভাষণ দিলেন। পরের মাসে এখানে আসবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। কুণাল বলেন, কিছু কিছু প্রত্যন্ত এলাকায় সমস্যা থেকে যায়। কিছুদিন আগে আমি জানতে পারি যে নন্দীগ্রামের একটি মহল্লায় বিদ্যুৎ আসিনি।তখনি আমি বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং তিনি কথা রেখেছেন। আজ হলদিয়ার দুটি গ্রামের সঙ্গে নন্দীগ্রামের এই মহল্লাতেও বিদ্যুৎ এল। বিদ্যুৎ দফতরের অফিসার ও কর্মীদেরও তিনি অভিনন্দন জানান।

মাসকয়েক আগে দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে কুণাল জানতে পারেন, হলদিয়া বন্দর থেকে ঢিলছোঁড়া দূরত্বের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের দুটি গ্রাম বিষ্ণুরামচক এবং সৌতনচকে বিদ্যুতের খুঁটি ঢোকেনি। স্বাধীনতার এতবছর পরেও অন্ধকারে ডুবে গ্রামবাসীরা। জেনে অবাকই হন কুণাল। গ্রামে দাঁড়িয়েই কুণাল বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন। ব্যাস, ম্যাজিকের মতো কাজ। আর আজ স্বাধীনতার পর এই প্রথম দুটি গ্রামে বিদ্যুৎ আসায় খুশির জোয়ার।

 

Previous articleবজবজ জুটমিলে বিধ্বংসী অগ্নি*কাণ্ড: নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা দমকলের, এলাকায় আতঙ্ক