গাড়ি করে রিষড়ায় যেতে চেয়ে আটকে পড়েন BJP-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। কারণ, সেখানে জারি ১৪৪ ধারা। এরপর রেলপথে রিষড়া স্টেশন পর্যন্ত পৌঁছন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee)। রিষড়া স্টেশনের লেভেল ক্রসিংয়েই বিজেপি সাংসদকে আটকে দেয় পুলিশ। তাদের সঙ্গে প্রবল বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন লকেট। আরও উস্কানি দিতে সেখানেই বসে পড়েন লকেট। এর আগে সুকান্তও রাস্তা আটকে বসে পড়েন। একই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে হুগলির (Hooghly) বিভিন্ন জায়গায় জারি ১৪৪ ধারা। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হয়। সেই পরিস্থিতিতে রিষড়া স্টেশনে গিয়েও গোলমাল করে সাধারণ যাত্রীদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেন বিজেপি সাংসদ।


শ্রীরামপুরে যাওয়ার পথে মাঝরাস্তায় পুলিশের বাধার মুখে পড়েন সুকান্ত মজুমদার। রাস্তা আটকেই বসে পড়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তারপর সেখান থেকে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এরপর বিকেল সওয়া চারটে নাগাদ রিষড়া স্টেশনে নামেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। পুলিশ স্পষ্ট জানায়, এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। এলাকায় অশান্তি আটকাতে কাউকে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। কিন্তু ১৪৪ ধারা স্টেশনে নেই। সুতরাং তিনি সেখানেই থাকবেন বলে পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসায় জড়ান হুগলির বিজেপি সাংসদ। রিষড়া প্ল্যাটফর্মের উপর কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বসে পড়েন লকেট।

বিজেপি নেতাদের এই উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টার ফলে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। প্রশাসনের তরফে যখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে, তখন বিজেপি নেতাদের বিভিন্ন দিক থেকে রিষড়াকে অশান্ত করার চেষ্টার নিন্দা করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। ভেসে থাকতেই এই ধরনের কাজ করছেন লকেট। সোমবারই দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীকে কাছে রীতিমতো অপদস্ত হন লকেট। তারপরেই এখানে এসে নিজের পালে কিছুটা হাওয়া লাগতেই তিনি এই কাজ করেছেন বলে অভিযোগ করেন কুণাল।









