Saturday, May 16, 2026

সিঙ্গুর মা.মলায় আইনি পথে হাঁটবে রাজ্য, খবর নবান্ন সূত্রে 

Date:

Share post:

সিঙ্গুর মামলায় (Singur Case) সোমবার তিন সদস্যের আরবিট্রাল ট্রাইব্যুনালের (Arbitral Tribunal) দেওয়া নির্দেশের বিরুদ্ধে এবার আইনি পথে হাঁটতে চলেছে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পরই আইনজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করেন মুখ্য সচিব (CS)। এরপরই বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে (Calcutta High court) যাওয়ার কথা ভাবছে রাজ্য বলেই নবান্ন (Nabanna)সূত্রে খবর। বিজেপি এবং বামেদের তরফে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানানো হলেও তৃণমূলের তরফে এর স্পষ্ট বিরোধিতা করে বলা হয় যে, বাম সরকারের আমলে কৃষকদের মুখের ভাত কেড়ে নিয়ে তিন ফসলা জমি অন্যায় ভাবে শিল্প গোষ্ঠীকে দেওয়ার যে চক্রান্ত করা হয়েছিল তারই বিরোধিতা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসলে বিজেপি ও বাম যৌথভাবে বাংলার কৃষি কাজকে ধ্বংস করতে চাইছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে তৃণমূলের (TMC) তরফে।

সিঙ্গুর অধিগ্রহণ মামলায় ২০১৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয়, সিঙ্গুরে তৎকালীন রাজ্য সরকারের জমি অধিগ্রহণ বেআইনি ছিল। দীর্ঘদিন ধরে তিন সদস্যর বেঞ্চে এই মামলা চলছিল। টাটা মোটরস লিমিটেড এবং রাজ্য শিল্পোন্নয়ন নিগম (West Bengal Industrial Developement Corporation) ছিল দুটি পক্ষ। সোমবার আরবিট্রাল ট্রাইব্যুনাল রাজ্যকে নির্দেশ দেয়, টাটা গোষ্ঠীকে ৭৬৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে WBIDCকে। একই সঙ্গে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে থেকে যতক্ষণ না ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে সেই পর্যন্ত ১১ শতাংশ হারে সুদও দিতে হবে রাজ্যকে। মামলার খরচ বাবদ জমা দিতে হবে আরও ১ কোটি টাকা। এই রায়ের বিরোধিতা করে এবার হাইকোর্টে যাচ্ছে রাজ্য।

Related articles

SIR-এ নাম বাদ পড়লে খারিজ হবে জাতি শংসাপত্র! জারি নির্দেশিকা

রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক আগের প্রশাসনের নিয়ম বদলের পথে বর্তমান রাজ্য সরকার। সেই পথে এবার...

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...