Thursday, June 4, 2026

হাজার ঘণ্টা পেরোলেও কেন্দ্রের শ্বেতপত্র কোথায়? ফের কটাক্ষ তৃণমূলের

Date:

Share post:

এক হাজার ঘণ্টা পেরিয়ে গেল। কোথায় কেন্দ্রীয় সরকারের শ্বেতপত্র? তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছিলেন, গত তিনটি আর্থিক বছরে একশো দিনের কাজ ও আবাস যোজনায় বাংলাকে কত টাকা দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার? কিন্তু অভিষেকের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এতদিনেও শ্বেতপত্র প্রকাশ করে তা জানানোর সাহস পেল না বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার।

এই নিয়ে বুধবার ফের বিজেপি সরকারকে তোপ দাগল তৃণমূল। দলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ ও মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজা এ নিয়ে মুখ খোলেন। কুণাল বলেন, এক হাজার ঘণ্টা পার হতে চলল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন, যে বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক। গত তিন আর্থিক বছরে একশো দিনের কাজ, আবাস যোজনায় বাংলাকে কত টাকা দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি বলেন, আমাদের বক্তব্য, একুশের নির্বাচনে হারের পর একটা টাকাও দেয়নি বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার এই ক’বছরে ট্যাক্স বাবদ রাজ্য থেকে কত টাকা নিয়ে গিয়েছে, আর একশো দিনের কাজ ও আবাস যোজনা প্রকল্পে বাংলার কত টাকা বকেয়া রেখেছে তথ্যপ্রমাণ-সহ তার হিসেব দিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক বিজেপি সরকার। কিন্তু একহাজার ঘণ্টা পেরিয়ে গেল এখনও বিজেপি সরকার তা সামনে আনার সাহস দেখাতে পারল না। কুণালের প্রশ্ন, কোথায় সেই শ্বেতপত্র? নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহজিরা বাংলায় এখন ডেলি প্যাসেঞ্জারি শুরু করেছেন। ছোট-বড় বিজেপি নেতারা অনেক বড় বড় কথা বলছেন।

কিন্তু তথ্য প্রমাণ দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শ্বেতপত্র প্রকাশ করার যে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলেন তার কোনও উত্তর দেওয়ার ক্ষমতা বিজেপির নেই, কারণ তারা মিথ্যা কথা বলছে। তাই এবারের ভোটে বাংলায় জনগণের গর্জন এবং বাংলা- বিরোধী বিজেপি ও তাদের দুই ভাই সিপিএম ও কংগ্রেস আইয়ের বিসর্জন হবে নিশ্চিত। মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজা বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করছে, তারা বাংলাকে একশো দিনের কাজ ও আবাস যোজনা প্রকল্পের টাকা দিয়েছে। এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, কবে কত টাকা তারা রাজ্যকে দিয়েছে তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে জানাক কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু আজ পর্যন্ত তা করতে পারল না বিজেপি সরকার। তারা চুপ করে আছে। এতেই পরিষ্কার আপনারা এই বিষয় থেকে নজর ঘোরাতে চাইছেন। এবার বাংলার জনতা এর প্রতিবাদ জানাবে, লড়াই করবে। লোকসভা নির্বাচনে বাংলার জনতা এর জবাব দেবে। বাংলার বিরুদ্ধে যারা বলে, এই নির্বাচনে তাদের বিসর্জন হবে।




Related articles

কুয়েতের বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় নিহত ভারতীয়, নিন্দায় ভারত

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে ফের বলি এক ভারতীয়ের। ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে নতুন করে যে ইন্ধন ইজরায়েল জুগিয়েছে, এবার তার খেসারতন...

রাজ্যে শিল্প ও কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ! নবান্নে বৈঠক শুভেন্দু-আদানির

দায়িত্বভার গ্রহণের এক মাসের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করলেন দেশের বিশিষ্ট শিল্পপতি গৌতম আদানি। বুধবার নবান্নে...

বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ সূর্য, টি২০-তেও নতুন নেতা

  ২০২৪ সালে ভারতকে টি২০ বিশ্বকাপ জিতিয়ে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাট থেকে অবসর ঘোষণা করেছিলেন রোহিত শর্মা। এবার বিশ্বকাপ জিতিয়েও...

‘তৃণমূল মানেই মমতা’, দলবিরোধীদের কড়া ভাষায় তোপ বিধায়ক কুণালের 

তৃণমূল মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানেই তৃণমূল, এই সত্য গোটা বিশ্ব জানে। কিন্তু তা সত্ত্বেও ইদানীং...