২০২২ এর ২৩ জুলাই ভোর রাতে গ্রেফতার। তারপর ২০২৫-এর ১১ নভেম্বর। ৩ বছর ৩ মাস পর জেলমুক্ত হলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়(Partha Chatterjee)। তবে প্রেসিডেন্সি থেকে নয়, তিনি মুক্তি পেলেন বেসরকারি হাসপাতাল আর এন টেগোর থেকে। হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব। কেঁদে ফেলেন। পরিবারের তরফ থেকে বলা হয়, আজ কোনও কথা নয়। ক্লান্ত, বিশ্রাম নেবেন। চিকিৎসকদের নির্দেশ মেনে চলবেন। পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে এখনও কিছু ভাবা হয়নি।

হাসপাতাল থেকে গাড়িতে ওঠার সময় পার্থর চোখেমুখে ছিল স্বস্তির স্পষ্ট ছাপ। সমর্থক, পরিচিতজন, সাংবাদিকদের দেখে হাত জোড় করে নমস্কার করেন। কেঁদে ফেলেন। তবে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি।
নিয়োগ মামলায় অভিযুক্ত পার্থ একাধিকবার জামিনের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু প্রতিবারই আদালত তা খারিজ করে দিয়েছিল। পরে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। গত বছর ডিসেম্বর মাসে শীর্ষ আদালত জানায়, শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া যেতে পারে, তবে চার্জ গঠন ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীদের জবানবন্দি শেষ হলে তবেই মুক্তি মিলবে। সেই শর্ত পূরণ হওয়াতেই মুক্ত পার্থ।

পার্থ গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মাথায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেছিলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হল। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারলে তাঁকে দলে ফেরানো হবে। নির্দোষ প্রমাণিত না হলেও দলের অনেককেই তৃণমূল অতীতে দলে ফিরিয়ে নিয়েছে। পার্থর ক্ষেত্রে কী হবে? উল্টোদিকে প্রশ্ন হল, পার্থ কি আদৌ আর রাজনীতিতে আগ্রহী?

–

–

–

–
