Monday, January 12, 2026

‘হামলার’ প্রতিবাদে পথে শুভেন্দু: ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে চিত্ত চাঞ্চল্য, কটাক্ষ তৃণমূলের

Date:

Share post:

চন্দ্রকোনায় শনিবার রাতে এক নাটকীয় চিত্রনাট্য রচনা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই ইস্যুকে হাতিয়ার করে কলকাতা শহরে এক প্রস্থ ভোট প্রচার বিজেপির। শহরের যে এলাকায় আইপ্যাকে ইডির অভিযানের প্রতিবাদ জানিয়ে প্রতিবাদে নেমেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), সেই এলাকাতেই কনভয়ে হামলার (convoy attack) প্রতিবাদে মিছিল করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikary)। বাংলার মানুষের প্রতি তীব্র ঘৃণা পোষণ করা বিজেপি যখন বাংলরা মানুষের জন্য কোনও উন্নয়নের ইস্যু খুঁজে পাচ্ছে না, তখন হামলার ছবি তুলে ধরা ছাড়া আর কোনও পথ নেই বিজেপির কাছে।

শনিবার অনেক রাত পর্যন্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা থানায় (Chandrakona police station) ধর্নায় বসেছিলেন বিরোধী দলনেতা (opposition leader) শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ ছিল পুরুলিয়া থেকে ফেরার পথে তাঁর কনভয়ে হামলা চালায় তৃণমূল সমর্থকরা। অভিযোগ করেন, লাঠির মাথায় পেরেক লাগানো ছিল। সেই লাঠি দিয়ে গাড়ি কাঁচ ভাঙার চেষ্টা করা হয়। কাছেই পেট্রোল, আগুন মজুত রেখেছিল তার। যদিও অনেক ভিডিও করলেও এই ছবি তিনি কোথাও দেখাতে পারেননি।

সেই ইস্যুই এখন নির্বাচনের আগে ভরসা বঙ্গ বিজেপির। প্রতিদিন বিজেপির নেতারা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেরিয়ে পড়ছেন প্রচারে। তবে তাঁদের কাছে বাংলার মানুষকে দেওয়ার মতো কোনও উত্তর নেই। ফলে নিত্যদিন নিত্য নতুন ইস্যু হাতড়ে বেড়াতে হচ্ছে তাঁদের। রবিবার যাদবপুরের (Jadavpur) ৮-বি বাসস্ট্যান্ড থেকে দেশপ্রিয় পার্ক পর্যন্ত মিছিল করে জনসংযোগের চেষ্টা করেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)।

আরও পড়ুন : বিজেপির সেমসাইড গোল! শুভেন্দুর নিরাপত্তারক্ষীরা পেটাল বিজেপি নেতাকে

তবে যে হামলার অভিযোগ তুলে বিজেপির নেতারা এত আয়োজন করছেন তার ভিডিও-র উল্লেখ করে তৃণমূল রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ দাবি করেন, এটা ভিডিও-তে কখনও দেখা যায়নি তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক হিসাবে যাঁরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া ছাড়া কনভয়ের কোনও গাড়িতে বাধা দিয়েছে বা স্পর্শ করেছে বা যেগুলো বলা হচ্ছে – লাঠি দিয়ে মেরেছে। কারণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর লোকেরা ছিলেন গাড়িটিকে কভার করে। এখন ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুনেই যদি এদের আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হয়ে যায়, এবং লেলিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এখন কেন্দ্রীয় বাহিনী চিনতে পারেনি। মেরেছে ওদের কর্মীকে।

spot_img

Related articles

আইন রক্ষায় নিহত বাবা, তাঁরই ছেলে প্রতারণায় জেলে!

দু’দশক আগে এক বর্ষবরণের রাতে তিলোত্তমার বিবেক জাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এক অপরিচিতা তরুণীর সম্মান বাঁচাতে মদ্যপ সহকর্মীদের সামনে...

IND vs NZ: নতুন বছরে বিরাটের ব্যাটিং বিক্রম, জয়ের মধ্যেও থাকল উদ্বেগের ছায়া

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে ৪ উইকেটে জিতল ভারত। ২০২৫ সালেযেখানে শেষ করেছিলেন ২০২৬ সাল সেখান থেকেই শুরু...

সোমে মিলনমেলায় ডিজিটাল যোদ্ধাদের সঙ্গে বৈঠকে অভিষেক

বাংলা বহিরাগত জমিদারদের হাতে অপমানিত, লাঞ্ছিত। সেই বাংলাবিরোধীদের মিথ্যা ও অপপ্রচারের মোকাবিলায় তৃণমূল ময়দানে নামিয়েছে ডিজিটাল যোদ্ধাদের। ডিজিটাল...

অনুপ্রবেশকারী খুঁজবে AI! নির্বাচনে নতুন গ্যাঁড়াকল শিণ্ডে-ফড়নবিশ জোটের

ভোটের আগে ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে মানুষের উপর নজরদারি আর হয়রানির রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশনের নতুন অ্যাপ ব্যবহার...