গৌতম গম্ভীর( Gautam Gambhir) ভারতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর সাফল্য বলতে এশিয়া কাপ এবং চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেতাব জয়। কোচ গম্ভীরের সাফল্যের থেকে ব্যর্থতা, বিতর্ক, কলঙ্কই বেশি। তার নবতম সংযোজন ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে হার।

পূর্ববর্তী ভারতীয় কোচরা যে সমস্ত সোনালি রেকর্ড তৈরি করেছিলেন সেগুলিও ভেঙে চুরমার হয়ে যাচ্ছে গম্ভীরের( Gautam Gambhir) সময়কালে। এই ব্যর্থতা গুলি ক্রিকেটের বিশ্বমঞ্চে ভারতের একচ্ছত্র আধিপত্য শেষ করে দিচ্ছে এবং ভারতীয় ভক্তদের শুধু হতাশাই এনে দিচ্ছে৷ ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তরা গর্জে উঠেছেন গম্ভীরের বিরুদ্ধে।

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে হারের পরই সমর্থকরা তুলে ধরেছেন গম্ভীরের ব্যর্থতার তালিকা। এতে রয়েছে বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি ১-৪ ব্যবধানে হারা থেকে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজ পরাজয়৷ কিউয়িদের বিরুদ্ধে সাদা বল ও লাল বলের সিরিজ হাতছাড়া হওয়া থেকে ঘরের মাঠে চুনকাম হওয়ার লজ্জা।

ঘরের মাঠে শেষ তিনটি বড় সিরিজের ফলাফল, টপ অর্ডারের ধারাবাহিক ভাঙন, ডেথ ওভারে বোলিংয়ের নড়বড়ে ছবি। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ ওয়ানডেতে ৩৩৮ রান তাড়া করতে গিয়ে ব্যাটিং অর্ডারের ছন্নছাড়া দশা যেন সেই পুরনো সমস্যারই পুনরাবৃত্তি। তার উপর গম্ভীরের কোচিংয়ে বিরাট-রোহিত-অশ্বিনের অবসর নিতে বাধ্য হয়েছেন।


এত কিছুর পরও গম্ভীরের আস্থা অটুট বোর্ড কর্তাদের। ডানা ছাঁটা তো দূরের কথা , তাঁর হাতেই ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। নিজের মতো করে দল গঠন করছেন। শামির মতো বোলারদের দলে ব্রাত্য করে দিচ্ছেন। প্রশ্ন উঠছে আর কতদিন গম্ভীরকে বহাল রাখা হবে। টি২০ বিশ্বকাপে সাফল্য না পেলে গম্ভীরের আসন অটুট থাকবে! বোর্ড কর্তাদের ভাবা সময় এসেছে।

–

–

–

–



