সার্টিফিকেট পেলেন রাজ্যসভায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূলের প্রার্থীরা। সোমবার, বিধানসভা থেকে সার্টিফিকেট নেন তৃণমূলের বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক, রাজীব কুমাররাও। তবে, দিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) লড়ছেন তৃণমূল (TMC) প্রার্থী মানেকা গুরুস্বামী। সেই কারণে এদিন তাঁর হয়ে সার্টিফিকেট নেন রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। দলের রাজ্য সভাপতির ফর্ম টুকে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্যসভার প্রার্থী রাহুল সিনহা (বিশ্বজিৎ সিনহা) (Rahul Sinha)। তার পরেও নথিতে গোলমাল থাকার অভিযোগ ওঠে। তবে, এদিন সার্টিফিকেট পান সেই রাহুল সিনহাও। লবিতে তাঁকে দেখে সৌজন্য দেখান তৃণমূলের বাবুল সুপ্রিয়ও। 

৫ মার্চ বিধানসভায় গিয়ে নির্ভুলভাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন তৃণমূলের (TMC) ৪ প্রার্থী। কিন্তু বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়নে ত্রুটি ছিল বলে অভিযোগ তোলে তৃণমূল। তৃণমূলের দায়ের করা অভিযোগে দাবি করা হয়, বিধানসভায় ৬ মার্চ বেলা ১১টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে বিজেপির রাজ্যসভার মনোনীত প্রার্থী বিশ্বজিৎ সিনহা ওরফে রাহুল সিনহার মনোনয়ন স্ক্রুটিনি হয়। তাঁর জমা করা মনোনয়ন পত্র (nomination paper) স্ক্রুটিনির (scrutiny) সময়ই ভুল ধরা পড়ে। তা সত্ত্বেও তাঁর সেই মনোনয়নপত্রই জমা নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল (CEO Manoj Agarwal) জমা পড়া মনোনয়নের স্ক্রুটিনি (scrutiny) করতে বিধানসভায় যান। এরপরই নথি সংক্রান্ত সমস্যা মিটিয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসাবে পাশ করেন রাহুল। নথির গেরোয় অনিশ্চয়তা হয়ে পড়ে রাহুলের রাজ্যসভায় যাওয়া। শেষ পর্যন্ত বাংলা থেকে রাজ্যসভায় গেলেন একমাত্র প্রতিনিধি রাহুল সিনহা।

১৬ মার্চ রাজ্যসভার ভোট। সংসদের উচ্চকক্ষে বাংলা থেকে পাঁচটি আসন খালি হয়েছিল। যার মধ্যে চারটি তৃণমূলের, একটি বিজেপির। যেহেতু ৫জনই মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। সেই কারণে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা রাজ্যসভায় জয়ী হন পাঁচজনই। এদিন, বিধানসভায় দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের হাত থেকে জয়ের সার্টিফিকেট নেন তৃণমূলের বাবুল সুপ্রিয়, কোয়েল মল্লিক, রাজীব কুমার। মানেকা গুরুস্বামী দিল্লিতে থাকায় তাঁর হয়ে সার্টিফিকেট নেন অরূপ বিশ্বাস। বিধানসভার করিডরে রাহুল সিনহাকে দেখে সৌজন্য দেখিয়ে হাত মেলান বাবুল সুপ্রিয়। 

–

–

–

–

–

–

–

