ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্র থেকে অমিত শাহও সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে। তবে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) যে নিজেদের এলাকা নিজেরাই রক্ষা করতে প্রস্তুত তা স্পষ্ট করে দিলেন কলকাতার নগরপাল। বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন (second phase election) প্রক্রিয়া শেষের পরেই সমস্ত থানাকে এক গুচ্ছ নির্দেশিকা দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার (CP, Kolkata) অজয় কুমার নন্দ (Ajay Kumar Nanda)। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় ‘এক্সিট পোল’ দেখানো হচ্ছে আর তার ফলেই একাধিক জায়গায় হিংসার চিত্র ফুটে উঠছে দাবি বিভিন্ন মহলের। রাজনৈতিক মহলেও এই নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বাইরে থেকে লোক এনে এই তাণ্ডব চালানো হয়েছে এমনটাও অভিযোগ উঠেছে।

কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, রাজ্যে এবং শহরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও এই ধরণের ঘটনা ঘটছে কেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে সেই সময়ে বাহিনী ঘটনাস্থলের কাছে ছিল না বা পক্ষপাতিত্ব করছে। এদিন বৈঠকে পুলিশ কমিশনার (CP, Kolkata Police) জানান, নির্বাচন চলাকালীন খুব ভালো কাজ করেছে কলকাতা পুলিশ। এই ধরনের পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অভিজ্ঞতা কলকাতা পুলিশের রয়েছে। যে কয়েকটা ঘটেছে সেটা অবশ্যই দুঃখজনক, তবে পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষম। ঘটনার তদন্তও চলছে। এরপরেই নগরপাল জানিয়ে দিলেন এই ধরণের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে।
আরও পড়ুন : হার নিশ্চিত জেনেই অশান্তি বিজেপির! বেহালায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মারধরের অভিযোগ

মূলত যে নির্দেশিকা লাগু করা হয়েছে:
১. সব থানার অধীনে সিএপিএফ-এর রুট মার্চ অব্যাহত থাকবে
২. ঝুঁকিপূর্ণ ও সংবেদনশীল এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেদিকে নজরদারি বাড়াতে হবে
৩. গোলযোগ সৃষ্টি করলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে
৪. সিএপিএফ-এর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে
৫. সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরির কাজ অব্যাহত থাকবে
৬. নির্বাচন-পরবর্তী কোনো হিংসা বরদাস্ত করা হবে না
৭. প্রয়োজনে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ওসি-সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জবাবদিহি করতে হবে
৮. প্রয়োজন অনুযায়ী গ্রেফতার করা হবে।

–

–

–

–
–
–
