২০১১ সালে বাম জমানা শেষ করে ক্ষমতায় এসেছিল মা-মাটি-মানুষের (Trinomul Govt.) সরকার। ক্ষমতায় আসার পর প্রথমে মহাকরণ ভবনে (Writers Building) কাজ শুরু করেছিলেন। তারপর সংস্কারের জন্য মহাকরণ ছেড়ে গঙ্গার পাড়ে নীল-সাদা প্রাসাদ নবান্ন (Nabanna) তৈরি করে শাসন শুরু করেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এবার ১৫ বছরের তৃণমূল জমানার অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় কোথা থেকে প্রশাসনিক কাজ চালাবে পদ্মশিবির তা নিয়ে চলছে ঘোর জল্পনা। তবে সূত্রের খবর, নবান্ন ছেড়ে ফের মহাকরণ থেকেই রাজ্য সচিবালয় চালানোর বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছে নতুন সরকার। এই লক্ষ্যে পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের মহাকরণ ভবন পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভবনের বাকি সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ করা এবং নিরাপত্তা পরিকাঠামো খতিয়ে দেখার বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।

এদিকে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া ঘিরে জোরদার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগামী শনিবার রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিনই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথমে লোক ভবনে অনুষ্ঠান করার কথা ভাবা হলেও, রেড রোড বা ব্রিগেড ময়দানে বড় সমাবেশের বিকল্প পরিকল্পনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত থাকতে পারেন বলে সূত্রের ইঙ্গিত। আরও পড়ুন: হিংসা বরদাস্ত নয়: আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কড়া অবস্থান শমীকের
নতুন সরকার গঠনের আগে নির্বাচন কমিশনও নিজেদের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কমিশনের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এসবি জোশি মঙ্গলবার কলকাতায় পৌঁছনোর কথা। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে। বুধবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল নির্বাচন কমিশনের গ্যাজেট বিজ্ঞপ্তি রাজ্যপালের হাতে তুলে দেবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলকে সরকার গঠনের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাবেন রাজ্যপাল।

–

–

–

–

–
–
–
