বাড়ছে সংক্রমণ: রাজ্যে চার হাজার বেড বাড়াচ্ছে সরকার, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এই মুহূর্তে ভাইরাস সংক্রমণ বাড়ছে এটা আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে সেই কারণেই *পরিস্থিতি মোকাবেলায় রাজ্যে আরও চারহাজার বেড তৈরি হচ্ছে বলে* বৃহস্পতিবার, নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, সংক্রমণ বাড়ছে বলে, বেডের চাহিদাও বাড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

ইসলামিয়া হসপাতালটা পুরোটা নিয়ে নিচ্ছে সরকার। ওখানে শুধু কোভিডেরই চিকিৎসা হবে।

এছাড়াও শিয়ালদহের কাছে ডাক্তার আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজকেও কোভিড হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

এনআরএস হাসপাতালেও ১১০টি বেড বাড়ানো হচ্ছে কোভিড চিকিৎসার জন্য।

বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গেও কথা বলেছে রাজ্য সরকার।

ডিসান হাসপাতাল আরও একটা বিল্ডিংয়ে কোভিড চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে।

ঢাকুরিয়া আমরিকেও বলা হয়েছে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা করতে। ওখানেও অনেক বেডের ব্যবস্থা হবে।

এছাড়াও অনেক হাসপাতাল তাদের জায়গা অনুযায়ী বেড বাড়ানোর কাজ করবে
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ভগবান নয়, ম্যাজিশিয়ন নয় বলে মন্তব্য করেন মমতা। এখনও ভাইরাসের ভ্যাকসিন বেরোয়নি তবুও চিকিৎসকরা লড়াই করে চলেছেন। পাশাপাশি কোভিড মোকাবিলায় লড়ছেন স্বাস্থ্যকর্মী, সাফাই কর্মী, আশাকর্মীরা। সাধারণ মানুষকে এই যুদ্ধে যুক্ত হতে হবে বলে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মমতা বলেন, অন্যান্য রাজ্যে সরকারি হাসপাতালের পরিকাঠামো ভালো নয়। এ রাজ্যে গত 9 বছরে হাসপাতালের চেহারাটা বদলেছে। সাধারণ মানুষ সরকারি হাসপাতালে যাচ্ছেন। হাসপাতালে এখন 12747 জন আক্রান্ত। সুস্থতার হার 60.06 শতাংশ। তবে, কলকাতার হাসপাতালে যাঁরা চিকিৎসাধীন, তাঁরা সবাই কলকাতার বাসিন্দা নন। অনেকেই আশপাশের জেলা থেকে আসেন। সেই কারণেই কলকাতায় আক্রান্ত সংখ্যাটা বেশি দেখায়।
সংক্রমণ বাড়ায় বেডের চাহিদা বাড়চ্ছে। 14 দিনের আগে সুস্থ হয়ে গেলে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
সরকারি সেফ হোম সম্পর্কে তিনি বলেন, সেফ হোমে বাড়ির মতো পরিষেবা দেওয়া কি সম্ভব? যাঁরা পরিষেবা দিচ্ছেন, তাঁরাও মানুষ। সামান্য দেরি হলে আন্দোলন নয়, সহযোগিতা করতে হবে।