বালুরঘাটে আত্রেয়ীতে পরিবেশকর্মীদের রিভার সাফারি

প্রথমবারের জন্যত ভারত ও বাংলাদেশের আন্ত:সীমান্ত(India Bangladesh border) নদী আত্রেয়ীতে(atrai river) দুই রাত্রি তিন দিনের অভিনব রিভার সাফারির আয়োজন করলো ইনোভেটিভ গ্রীণ আইডিয়াজ অ্যা ন্ড লাইনস্। সহযোগী আয়োজক পতিরাম নাগরিক ও যুবসমাজ, কুমারগঞ্জ নদী ও পরিবেশ বাঁচাও সমিতি এবং ইছামতি বাঁচাও আন্দোলন সমিতি। সীমান্ত থেকে সীমান্ত যাত্রাপথে দক্ষিণ দিনাজপুর(dakshin Dinajpur) জেলার প্রধান নদী আত্রেয়ীর বর্তমান হাল সরেজমিনে দেখতেই এই রিভার সাফারি।যেখানে অংশ নিলেন তুহিন শুভ্র মন্ডল,তুষার কান্তি দত্ত, প্রীতম সরকার, নীলোৎপল সরকার, বিশ্বজিত প্রামাণিক, মকশেদ আহমেদ, জুলিয়াস হাসান চৌধুরী প্রমুখ।

আত্রেয়ী সদরঘাট থেকে ঐতিহ্যমন্ডিত নদী দেবীপুরাণে উল্লিখিত আত্রেয়ীর মহাস্নান মন্ত্র উচ্চারণ করে “রিভার সাফারি -জলপথে আত্রেয়ী” শুরু হয়।একদম প্রথমে পরিবেশ প্রেমী সংস্থা দিশারী সংকল্পের পক্ষে অমল বসু, সনাতন প্রামণিক মনোজিত দেব, সঞ্জয় রায় প্রমুখরা শুভেচ্ছা স্বরূপ মেহগনি গাছের চারা তুলে দেন যা রোপন করে নদী পার্শ্বে। নদীপথের একধারেই নৌকা থামিয়ে হবে নদী- প্রকৃতির পাঠ। চলবে আত্রেয়ী নদীর বিস্তারিত সমীক্ষা। নদী ভাঙন, নদীর চর, নদীর বাঁকবদল, নদী দূষণ, নদীতে জলের পরিমাণ পর্যবেক্ষণ, গভীরতা হ্রাসের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখাও চলবে। ওরই ফাঁকে চলবে দুপুরের রান্না-খাওয়া। তার পর আবার নৌকা ছুটবে নদীর পানে। প্রথম রাতে গোপালগঞ্জ দ্বিতীয় রাতে পতিরাম থেকে তৃতীয় দিন আবার ফিরে আসা বালুরঘাটে।এই যাত্রাপথে আলোচনায় থাকবে আত্রেয়ীর ঐতিহ্য, অতীত আর ভবিষ্যতের কথাও।থাকবে আত্রেয়ী নদী সংলগ্ন কুমারগঞ্জ ফরেস্টে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্যর নদী- প্রকৃতির পাঠও।

আরও পড়ুন:দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে ঠাসাঠাসি ভিড়, হুড়োহুড়ি চলছেই কোচবিহারে

ইনোভেটিভ গ্রীণ আইডিয়াজ অ্যা।ন্ড লাইনস্- এর পক্ষে কো-অর্ডিনেটর পরিবেশ কর্মী তুহিন শুভ্র মন্ডল জানান – ‘আমাদের টিমের প্রত্যে ক সদস্যেপর আলাদা আলাদা দায়িত্ব আছে। আত্রেয়ী নদীতে এই ধরণের রিভার সাফারির আয়োজন সম্ভবত প্রথম। আমরা আত্রেয়ী নদী সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কিছু দাবীও তুলছি। পুরো কাজ ডকুমেন্টশেন করবো আমরা। পরবর্তীতে তা জেলা প্রশাসন,রাজ্যা সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জমা দেবার কথা ভাবছি। আমরা চাই আত্রেয়ী নদীর খনন,আন্তর্জাতিক জলপথ হিসাবে এই নদীর ব্যেবহার এবং আত্রেয়ী নদীর সামগ্রিক সংরক্ষণ।’