Wednesday, June 24, 2026

26/11 Mumbai Attack: মুম্বই হামলার ১৩ বছর, শহিদদের শ্রদ্ধার্ঘ্য

Date:

Share post:

১৩ বছর আগে ২০০৮ সালে আজকের দিনেই জঙ্গি হামলা হয়েছিল মুম্বইয়ে (26/11 Mumbai Attack)। ১৬৪ জনকে খুন করে সন্ত্রাসবাদীরা। যাঁদের মধ্যে ২৮ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক। গুরুতর জখম হলেও বরাতজোরে বেঁচে যান ৩০০ জন। প্রতিবছর এইদিনটায় শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে মুম্বই তথা গোটা দেশ। এদিন শহিদদের শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

গুপ্তচর সংস্থা র (RAW) নানা ভাবে সতর্ক করলেও ঠেকানো যায়নি সন্ত্রাসবাদী হামলা। ব্যর্থতার দায় নিয়ে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ভারতীয় র (RAW) সচিব তথা প্রধান অশোক চতুর্বেদী। পাশাপাশি চতুর্বেদী এও দেখিয়েছিলেন, হামলার আগাম খবর পেয়ে ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা RAW কীভাবে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (‌ Intelligence Bureau)‌ এবং মুম্বই পুলিশকে (Mumbai Police) সতর্ক করেছিল। এমনকী আইবি–কে আলাদা করে সতর্ক করেছিলেন যুগ্ম সচিব (‌আন্তর্জাতিক সংযোগরক্ষাকারী)‌ অনিল ধামসানা। তার পরেও জঙ্গী হামলার হাত থেকে মুম্বইকে রক্ষা করা যায়নি।

আরও পড়ুন: Punjab: নির্বাচনের আগে অস্বস্তি বাড়ল পাঞ্জাব কংগ্রেসে, এবার অনশনে বসার হুঁশিয়ারি সিধুর

পাকিস্তান থেকে আরব সাগর পেরিয়ে মুম্বইয়ে ঢুকে সশস্ত্র জঙ্গিরা প্রথমে মুম্বইয়ের তাজ হোটেলে হামলএ (26/11 Mumbai Attack) চালায়। তারপর একে একে জঙ্গিরা ছড়িয়ে পড়েছিল লিওপোল্ড কাফে, নরিম্যান হাউস, ছত্রপতি শিবাজী বাস টার্মিনাস, ট্রাইডেন্ট হোটেল, কামা হাসপাতালের মতো শহরের একাধিক জায়গায়। এরপর টানা চার দিনের সন্ত্রাসাবাদী হামলা। তারপর ১৬৪ জনকে খুন। যাঁদের মধ্যে ২৮ জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক। গুরুতর জখম হলেও প্রাণে বেঁচে যান ৩০০ জন।

অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে ২৮ নভেম্বর সকালের মধ্যেই মুম্বই পুলিশ ও অন্যান্য রক্ষীবাহিনী তাজ হোটেল ছাড়া বাকি জায়গাগুলিকে সুরক্ষিত করে ফেলে। ২৯ নভেম্বর ‘অপারেশন ব্ল্যাক টর্নেডো’র সাহায্যে ভারতের জাতীয় রক্ষী বাহিনী (এনএসজি) তাজ হোটেলে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের হত্যা করে বাণিজ্যনগরীকে জঙ্গিমুক্ত করে। জীবিত অবস্থায় ধৃত একমাত্র জঙ্গি আজমল কাসভ জেরার মুখে স্বীকার করে, তারা পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার সদস্য। দীর্ঘ বিচারের পর ২০১০ সালের ৬ মে মুম্বইয়ের বিশেষ আদালত ধৃত জঙ্গি আজমল কাসভকে মৃত্যুদণ্ড দেয় বিচারক।

চাপের মুখে পড়ে ২০০৯ সালের ৭ জানুয়ারি, পাকিস্তানের প্রাক্তন তথ্যমন্ত্রী শেরি রহমান সরকারিভাবে স্বীকার করেন, আজমল কাসভ পাকিস্তানের নাগরিক। ঠিক ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী রহমান মালিক স্বীকার করেন, ‘‘পাকিস্তানে বসেই হামলার পরিকল্পনা করেছিল সন্ত্রাসবাদীরা৷’’

Related articles

শোকজের পরে ফিরহাদ-অরূপদের দল থেকে বহিষ্কার করলেন মমতা? জল্পনা তুঙ্গে

দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দলবিরোধী কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস ও অরূপ রায়দের সোমবারে শোকজ করেছিল...

বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস! তারকা ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

  বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ উঠল বাংলা দলের ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলের(Abhisek porel) বিরুদ্ধে। এক ডাক্তারি পড়ুয়ার তরুণী মগরা...

বেআইনি সম্পত্তি অধিগ্রহণে নতুন বিলের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর! দুর্নীতি দমন নাকি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? উঠছে প্রশ্ন

দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে নতুন আইন আনার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর...

উস্কানিমূলক মন্তব্য মামলা: অভিষেকের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করবে সিআইডি! আবেদন মঞ্জুর আদালতের

উস্কানিমূলক মন্তব্যের মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করার অনুমতি পেল রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা...