Site Logo

ভোজশালা মন্দিরই! নমাজের জন্য অন্য জায়গা খুঁজে নেওয়ার নির্দেশ মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের

EBBS Desk·
ভোজশালা মন্দিরই! নমাজের জন্য অন্য জায়গা খুঁজে নেওয়ার নির্দেশ মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্টের

বিতর্কিত ভোজশালা মন্দির-কমল মওলা মসজিদ মামলায় ঐতিহাসিক রায় দিল মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট (Madhya Pradesh High Court)। শুক্রবার দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং সমীক্ষার পর আদালত জানাল, ওই বিতর্কিত সৌধটি আসলে সরস্বতী মন্দির। মুসলিমদের নমাজ বন্ধের নির্দেশও দিয়েছে আদালত। নমাজের জন্য তাঁদের অন্যত্র জায়গা দেখে নিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ২০০৩ সালে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া যে নির্দেশিকা দিয়েছিল, যেখানে হিন্দুদের মঙ্গলবার করে পুজো করার এবং শুক্রবার করে মুসলিমদের নমাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তা খারিজ করে দেওয়া হয়।

Sponsored

Sranchi In Article

শুক্রবার বিচারপতি বিজয় কুমার শুক্লা ও বিচারপতি অলোক অবস্তির বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানায়, এটি পুরানো এক স্বরস্বতী মন্দির। ২০২২ সালে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর আবেদনের ভিত্তিতে আদালত বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল। সম্প্রতি পেশ করা এএসআই-এর রিপোর্টে জানানো হয়,  ওই চত্বর থেকে ৯৪টি বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি এবং মন্দিরের কাঠামোর একাধিক ঐতিহাসিক নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। এই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই আদালত তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। যদিও মুসলিম পক্ষ এই রিপোর্টকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলে দাবি করেছে। আরও পড়ুন: লালকেল্লা বিস্ফোরণ মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড়, জঙ্গি যোগের ইঙ্গিত-সহ চার্জশিট জমা NIA-এর

এর আগে শুক্রবার করে মুসলিমদের নমাজ পড়ার নিয়মে ইতি টানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি। সৌধটির উপর শুধুমাত্র হিন্দুদের অধিকার আছে বলে দাবি করে তাঁরা। ২০২৪ সালে এএসআই-কে ভোজশালার ওই অংশের 'বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা'র ভার দেয় হাই কোর্ট। ৯৮ দিন ধরে সমীক্ষা চালানোর পর আদালতে এএসআই রিপোর্ট জমা দেয়। ২০০০ পাতার সেই রিপোর্টে এএসআই জানায়, যেখানে মসজিদ রয়েছে, সেখানে বহু আগে পারমার বংশের আমলে তৈরি বিশাল এক মন্দিরের কাঠামো ছিল। তবে এই সমীক্ষার রিপোর্টকে 'পক্ষপাতদুষ্ট' বলে অভিযোগ করে মুসলিম পক্ষ।

মুসলিম আবেদনকারীরা যুক্তি দেন যে খিলজি আমলের ঐতিহাসিক নথিপত্রে সরস্বতী মন্দির ধ্বংসের কোনো উল্লেখ নেই। তাঁরা তৎকালীন শাসকের জারি করা ১৯৩৫ সালের একটি 'অ্যালান'-এর কথা উল্লেখ করেন, যা ওই স্থানে নামাজ পড়ার অনুমতি দিয়েছিল। জৈন আবেদনকারীরাও একটি দাবি তুলে বলেন যে, ওই জায়গার সঙ্গে যুক্ত একটি মূর্তি জৈন দেবী অম্বিকার এবং মাউন্ট আবুর মন্দির স্থাপত্যের সঙ্গে এর সাদৃশ্য রয়েছে। আদালতে তা নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। সেই মামলাতেই এ বার রায় দিল মধ্যপ্রদেশ হাই কোর্ট।

-

-

-

-

-

-

Sponsored

Merlin In Article

Sponsored

Shyam Sundar In Article

Sponsored

Camelia In Article

Sponsored

Techno India In Article

Sponsored

Probe In Article

Related Articles

More from শিরোনাম

View All →