তারাতলার(Taratala) নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের (Warehouse Collapsed) ঘটনায় বড় পদক্ষেপ পুলিশের। বুধবার রাতেই গুদামের সুপারভাইজার-সহ প্রায় ন’জনকে আটক করে তারাতলা থানায়(Taratala PS) জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তারপরেই গুদামের মালিক শম্ভুনাথ বেহরা-সহ মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন আয়ান ট্রেডার্সের সুপারভাইজার গুলজার হোসেন, শ্রমিক সরবরাহকারী ও ট্রাইমেক্স ঠিকাদার দিবাকর ভাণ্ডারি, লোহার কাঠামো নির্মাণকারী সংস্থার প্রতিনিধি কমল সামন্ত ও পুরসভায় নির্মাণ পরিকল্পনা অনুমোদনের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারী আব্দুল হামিদ।

নিজের বাড়িতে না পাওয়া গেলেও বুধবার মধ্যরাতে তারাতলা এলাকারই একটি আবাসন থেকে শম্ভুনাথ বেহরাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা রুজু করেছে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালেও তারাতলায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন জাতীয় এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যেরা। মনে করা হচ্ছে, ভিতরে এখনও বেশ কয়েকজন আটকে রয়েছেন। আপাতত হাইড্রোলিক ক্রেন দিয়ে গুদামের ভেঙে পড়া কাঠামোকে টেনে ধরে রাখা হয়েছে।

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে মোট ৩০ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দশজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকিরা এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, মৃতদের মধ্যে কৃষ্ণ চৌধুরী, ঘি কুমার, চন্দ্রমা চৌধুরী, রোহিত চৌধুরী, রাহুল চৌধুরী, পাপ্পুকুমার রজক, আসগর হুসেন এবং সাহিল সর্দারের পরিচয় জানা গিয়েছে। চারজন নদিয়ার বাসিন্দা এবং একজন উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ার বাসিন্দা।

গোটা ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিশ বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে। এই দলে রয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের এক সহকারী পুলিশ কমিশনার, হোমিসাইড শাখার ওসি-সহ গোয়েন্দা বিভাগের চারজন আধিকারিক এবং তারাতলা থানার দুই সাব-ইন্সপেক্টর। তদন্ত প্রক্রিয়ার তদারকি করছেন গোয়েন্দা বিভাগের ডেপুটি কমিশনার।

–

–

–

–
–
