দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়ছিলেন প্রাক্তন আমলা জহর সরকার (Jawhar Sarkar)। এবার বিধানসভা নির্বাচনের পরে তৃণমূল (TMC) ছাড়া ও ভাঙার ধুম পড়ে গিয়েছে। কিন্তু কয়েকজন নেতা এখনও রয়ে গিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। তার মধ্যে প্রথম সারিতে নাম সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee), বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh)। রয়েছেন মদন মিত্র, শোভবদেব চট্টোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, সাগরিকা ঘোষরাও। এই পরিস্থিতিতে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে এককালের সহযোদ্ধাদের কুর্নিশ জানালেন জহর।

আর জি কর কাণ্ড ও দুর্নীতির প্রতিবাদে চিঠি লিখে ২০২৪-এর সেপ্টেম্বরে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়েন প্রাক্তন আমলা জহর সরকার (Jawhar Sarkar)। সেই সময় তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, “জহরবাবু যে উদ্বেগের কথা বলছেন, সেই উদ্বেগের সঙ্গে তৃণমূলের অনেক সৈনিক একমত। দলের কাছে দৃশ্যমান, দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ প্রত্যাশা করে। কিন্তু সেটা দলের অন্দরে থেকেও করা যেত।”

এর পরে হুগলি নদী দিয়ে বহুজল বয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন ইস্যুতে বারবারই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন জহর সরকার। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল দেখেও মন্তব্য করেন তিনি। ভোটের ফলের পরে প্রায় প্রতিদিনই ভাঙছে রাজ্যের প্রাক্তন শাসকদল। কেউ যাচ্ছেন বিক্ষুদ্ধ গোষ্ঠীতে তো কেউ সদ্য গজিয়ে ওঠা অজানা রাজনৈতিক দলে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশ থেকে সরেননি কুণাল, কল্যাণ, মহুয়া, ডেরেকদের মতো কয়েকজন নেতা। তাঁদেরই স্যোশাল মিডিয়ায় কুর্নিশ জানিয়েছেন জহর সরকার।

@MahuaMoitra @sagarikaghose @KunalGhoshAgain @KBanerjee_AITC @AITCofficial pic.twitter.com/AwfFEoAcMw
— Jawhar Sircar (@jawharsircar) June 27, 2026
নিজের এক্স হ্যান্ডেলে (X-Handle) এদিন জহর লেখেন, “দুর্নীতির বিষয়ে সতর্ক করে আমি সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলাম (আশা ছিল তারা কথা শুনবে); তবে মহুয়া, সাগরিকা, কল্যাণ ও কুণাল যে নীতিগত অবস্থান নিয়েছেন, তার জন্য তাঁদের কুর্নিশ জানাই।“

–

–

–

–
