একজন নির্বাচিত বিধায়ককে টার্গেট করে বিধানসভায় বলে দেওয়া হচ্ছে না। এর নাম গণতন্ত্র! বুধবার, তাঁকে মার্শাল দিয়ে অধিবেশন থেকে চ্যাং দোলা করে বের দেওয়ার পরে সাংবাদিক বৈঠক থেকে গর্জে উঠলেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghosh)। বিস্ফোরক অভিযোগ করে কুণাল বলেন, “আমাকে জাভেদ খান বলেছেন, আপনি এদিকে চলে আসুন। তাহলে বলতে পারবেন। এটা কোনও কথা হল…।”
টার্গেট করে বিধানসভায় বলতে দিচ্ছে না, এর নাম গণতন্ত্র! মার্শাল দিয়ে বের করে দেওয়ার তীব্র প্রতিবাদ কুণালের
বিস্ফোরক অভিযোগ করে কুণাল বলেন, “আমাকে জাভেদ খান বলেছেন, আপনি এদিকে চলে আসুন। তাহলে বলতে পারবেন। এটা কোনও কথা হল…।”
Sponsored

কুণাল ঘোষের নাম কেটে কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে বলে আগেই অভিযোগ করেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক। বুধবার, বিরতির পরে আবার অধিবেশন শুরু হলে আখরুজ্জামান বলতে উঠতেই আসন ছেড়ে উঠে এসে তাঁর মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন কুণাল। কুণাল-আখরুজ্জামানের ‘সংঘাতে’ উত্তপ্ত বিধানসভা (Assembly) অধিবেশন। মার্শাল ডেকে টেনেহিচড়ে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণালকে বাইরে বার করে দেওয়া হয়। কুণালকে একদিনের জন্য সাসপেন্ড করেন স্পিকার।
এর পরে ফের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Sovandev Chatterjee), রুকবানুর রহমান, অশোক দেবকে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে করে রাজ্যের শাসকদল ও ঋতব্রত শিবিরের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন কুণাল। বলেন, বেছে বেছে বক্তার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। ঋতব্রত-শিবিরের মাধ্যমে এই চক্রান্ত করছে বিজেপি সরকার। অধিবেশনে বলতে উঠলে বলতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদও। মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, তাঁদের তরফে পাঠানো বক্তাদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। এর পরেই বিধানসভা থেকেই সাংবাদিক বৈঠক করে কুণাল অভিযোগ করেন, তাঁর নাম বক্তা হিসেবে শোভনদেব দিলেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে সেই নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। এর নাম গণতন্ত্র! একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে বলতে দেওয়া হচ্ছে না।
এর পরেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেন কুণাল। বলেন, “আমাকে জাভেদ খান বলেছেন, আপনি এদিকে চলে আসুন। তাহলে বলতে পারবেন। এটা কোনও কথা হল…।” পাশাপাশি কুণাল দাবি করেন, আখরুজ্জামান তাঁকে বলেছেন, তাঁর সঙ্গে কুণালের সম্পর্ক ভাল। তবে, উপর থেকে ওপর থেকে বারণ আছে। এই উপরটা কে সেই বিষয়ও জানতে চান কুণাল।
Sponsored

Sponsored

Sponsored

Sponsored













